সিনহা হত্যা: সা‌বেক ও‌সি প্রদীপ সহ ৬ আসামির জামিন নামঞ্জুর, সাক্ষ্যগ্রহণ ২৬-২৮ জুলাই।

joybd24joybd24
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  03:18 PM, 27 June 2021

কক্সবাজারের টেকনাফে সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর (অব.) সিনহা মোঃ রাশেদ হত্যা মামলার চার্জ গঠন করে আগামী ২৬, ২৭ ও ২৮ জুলাই সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য্য করেছে আদালত। একইসাথে সাবেক ওসি প্রদীপ ও কনষ্টেবল সাগরদেবসহ ৬ জনের জামিন আবেদন নাকচ করা হয়েছে।

আজ শুনা‌নি চলাকা‌লে কাঠগড়ায় সিনহা হত্যা মামলার প্রধান আসামী ও‌সি (বরখাস্ত) প্রদীপ কুমার দাশ।

আজ রোববার (২৭ জুন) দুপুরে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল এ আদেশ দেন। এদিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত টানা শুনানি চলে। এতে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

আদালত থেকে বেরিয়ে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট ফরিদুল আলম জানান, টেকনাফে পুলিশের গুলিতে নিহত আলোচিত সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর সিনহা মো: রাশেদ হত্যা মামলার চার্জ গঠনের দিন ছিল আজ। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে মামলার চার্জ গঠন করে আগামী ২৬, ২৭ ও ২৮ জুলাই সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য্য করেছে। একই সাথে সাবেক ওসি প্রদীপ ও কনষ্টেবল সাগরদেবসহ ৬ জনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে ওসি প্রদীপসহ ১৫ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এসময় আদালতে ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। আদালত প্রাঙ্গণে আসামিদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। পরে আসামিদের কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

গত বছরের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে গাড়ি তল্লাশিকে কেন্দ্র করে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাখেদ খান।

এ ঘটনায় গত ৫ আগস্ট নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান ও টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ সহ নয় জন পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়। আদালত মামলাটির তদন্ত করার আদেশ দেন র‌্যাবকে।

এরপর গত ৬ আগস্ট প্রধান আসামি লিয়াকত আলী ও টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৭ পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরবর্তীতে সিনহা হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় অভিযোগে পুলিশের দায়ের করা মামলার ৩ জন সাক্ষী এবং শামলাপুর চেকপোস্টের দায়িত্বরত আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এছাড়া একই অভিযোগে পরে গ্রেফতার করা হয় টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক সদস্য কনস্টেবল রুবেল শর্মাকেও। মামলায় গ্রেফতারকৃত ১৪ আসামিকে র‌্যাবের তদন্তকারী কর্মকর্তা বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে ১৩ ডিসেম্বর ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট জমা দেন তদন্ত সংস্থা র‍্যাব।