1. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক :
  2. [email protected] : rahad :
নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা জানিপপ চেয়ারম্যান সহ তিনজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলা হয়েছে। | JoyBD24
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ছাত্রলীগের উত্তর-দক্ষিণে শীর্ষ পদ পাওয়ার দৌড়ে একঝাঁক নতুন নেতৃত্ব কথা বললেই মামলা হচ্ছে : নোমান জন্ম‌নিবন্ধন, এনআইডি ও পাস‌পোর্টে হবে একই নম্বর পর্তুগালকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে দক্ষিণ কোরিয়া রাজশাহীতে বিএনপির গণসমাবেশের আগের দিনই গণমানুষের ঢল ঘানাকে হারানোর পরও নকআউটে উঠতে পারল না উরুগুয়ে জনসভায় খালেদা জিয়ার যাওয়ার চিন্তা অলীক ও উদ্ভট : তথ্যমন্ত্রী জাতির পিতাকে হত্যার পর স্বৈরশাসকেরা বেয়নেটের খোঁচায় মানুষের ভাগ্য লিখতে শুরু করে : প্রধানমন্ত্রী বিএনপি জঙ্গিদের মাঠে নামিয়েছে : ওবায়দুল কাদের চাকরির পরীক্ষা ঢাকায়, বাস বন্ধে আসতে পারছেন না উত্তরাঞ্চলের প্রার্থীরা

নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা জানিপপ চেয়ারম্যান সহ তিনজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলা হয়েছে।

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুন, ২০২২

ইউটিউব টকশোতে মনোনয়ন বাণিজ্য নিয়ে কথা বলায় বিএনপি নেতা মনিরুল হক চৌধুরী ও বুধবার সকালে কুমিল্লা শহর যুবলীগের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ চট্টগ্রামের সাইবার ট্রাইব্যুনালে এ মামলা করেন। মামলায় অপর আসামি হলেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল টেবিল টক-এর সঞ্চালক হাসিনা আক্তার। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত প্রথমে ১৩ কোটি, তারপর ২০ কোটি, তারপর ৬০ কোটি টাকা দিয়ে মনোনয়ন কিনেছেন’- লন্ডনভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল ‘টেবিল টক ইউকে’র টকশোতে এমন মন্তব্য করেছিলেন ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ। এই বক্তব্যের জেরে টকশো সঞ্চালকসহ অতিথিদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলা করেন যুবলীগ নেতা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। বাদীর আইনজীবী সাইমুল চৌধুরী বলেন, গত ২২শে মে একটা ইউটিউব চ্যানেলের টকশোতে প্রফেসর কলিমুল্লাহ কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আরফানুল হকের বিরুদ্ধে চরম অসত্য বক্তব্য দিয়েছেন। এই বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। এর মাধ্যমে শুধু মেয়র প্রার্থী রিফাতের চরিত্র হনন করা হয়নি, প্রধানমন্ত্রীরও চরিত্র হনন করা হয়েছে। কারণ এই মনোনয়ন বোর্ডের প্রধান তো স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। যে কারণে আমার মক্কেল বাদী হয়ে কলিমুল্লাহসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জহিরুল কবিরের আদালতে মামলা করেছেন।তিনি বলেন, মহামান্য আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তারা আগামী ১২ই জুলাইয়ের মধ্যে মামলার প্রতিবেদন জমা দেবেন। এই মামলায় ভীত নন বলে জানিয়েছেন জানিপপ চেয়ারম্যান ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ। দুটি জাতীয় দৈনিকের প্রকাশিত তথ্য ওই টকশোতে উপস্থাপন করেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। এ ঘটনায় সংক্ষুব্ধ হয়ে শাসকদলীয় কর্মীর মামলা করার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তিনি। ড. কলিমুল্লাহ মানবজমিনকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ৩০ বছর ধরে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের কাজ করছি। নির্বাচনের পর্যবেক্ষণ আমরা করি তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই। আমাদের পর্যবেক্ষণ কারও পক্ষে বা বিপক্ষে যাবে- এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কার পক্ষে বা বিপক্ষে গেল সেটা বিবেচ্য বিষয় না। আমরা স্বচ্ছতার সঙ্গে আমাদের কাজ করি। টকশোতে কথা বলাও পর্যবেক্ষণের অংশ। এই মামলার ঘটনা একটা আই ওপেনার। দীর্ঘদিন থেকে আমরা টেলিভিশন টকশোতে কথা বলছি। এরকম ঘটনার সম্মুখীন কখনো হইনি। ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এই আইন কণ্ঠরোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটা কখনই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে সে বিষয়গুলো টকশোতে তুলে ধরেছি। তিনি আরও বলেন, আমরা শখের বসে এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের কাজটি করি। এখানে কোনো বেতন-ভাতার জন্য কাজ করি না। সামাজিক দায়িত্ব থেকে এই কাজে নিয়োজিত আছি। এভাবে মামলা করে আমাদের কণ্ঠরোধ করা যাবে না। এর আগেও আমাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। কিন্তু আমি আমার কাজ থেকে বিরত থাকিনি। এভাবে আমাকে আমার কাজ থেকে বিরত রাখা যাবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2012 joybd24
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Joybd24