1. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক :
  2. [email protected] : rahad :
৯ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে হারলো বাংলাদেশ | JoyBD24
সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন

৯ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে হারলো বাংলাদেশ

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৬ আগস্ট, ২০২২

শুরুটা ভালো না হলেও শেষ হাসি হাসলো জিম্বাবুয়ে। ৬ রানে ২ উইকেট হারানোর পর অনেকেই ভেবেছিল দিনটা হয়তো বাংলাদেশের। কিন্তু তা হতে দেননি ইনোসেন্ট কাইয়া ও সিকান্দার রাজা। তাদের জোড়া শতকে ভর করে টাইগারদের ৩০৩ রান টপকে যায় ১০ বল বাকি থাকতেই।

ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে জিম্বাবুয়ে সর্বশেষ হারিয়েছিল ২০১৩ সালের ৮ মে, বুলাওয়েতে। এরপর টানা ১৯ ম্যাচ বাংলাদেশের কাছে হেরেছে তারা। অবশেষে কাটল সে খরা।

শুক্রবার হারারে স্পোর্টস গ্রাউন্ড মাঠে টস জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাট করতে পাঠায় জিম্বাবুয়ে। ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ সূচনা এনে দেন দুই উদ্বোধনী ব্যাটার।

ফিফটির পর রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টায় কাটা পড়ে তামিম ইকবালের ইনিংস। সিকান্দার রাজার বলে ফিরে যান তিনি। আউট হওয়ার আগে তিনি ৮৮ বলে ৬২ রান করেন। একই সঙ্গে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ৮ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তামিম।

এদিকে জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালানো লিটন ৭৫ বলে অর্ধশতক ছুঁয়েছিলেন। পরের ১৪ বলে লিটন করেছেন ৩১ রান। সিকান্দার রাজার বলে সিঙ্গেল নেওয়ার পরই হ্যামস্ট্রিং চেপে ধরে শুয়ে পড়েন লিটন। আর ব্যাটিংয়ে নামতে পারেননি। স্ট্রেচারে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ড্রেসিংরুমে। রিটায়ার্ড হার্ট হওয়ার আগে তিনি ৮৯ বলে ৮১ রান করেন।

লিটনের মাঠ ছাড়ার পর রানের চাকা দ্রুত ঘোরাতে থাকেন মুশফিকুর রহিম ও এনামুল হক বিজয়। এর মধ্যে ৭১ রানে জীবন পেয়েও কাজে লাগাতে পারলেন না এনামুল। ৬২ বলে ৭৩ রান করে নিয়াউচির বলে ফিরে যান তিনি। শেষ পর্যন্ত ২ দুই উইকেট হারিয়ে ৩০৩ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

মুশফিক ৫২ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২০ রানে অপরাজিত থাকেন। সিকান্দার রাজা ও ভিক্টর নিয়াউচি একটি করে উইকেট পান।

বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা একদম ভালো হয়নি জিম্বাবুয়ের। ৬ রান তুলতেই দুই উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ইনিসের প্রথম ওভারের শেষ বলে বোল্ড হন রেজিস চাকাভা। মোস্তাফিজুর রহমানের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ডেলিভারিতে ব্যাট চালিয়ে ইনসাইড-এজে বোল্ড হন চাকাভা।

পরের ওভারেই আঘাত আনেন শরিফুল ইসলাম। তাকে তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলেছেন তারিসাই মুসাকান্দা। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার চেষ্টা করেন ওয়েসলি মাধেভেরে ও ইনোসেন্ট কাইয়ার। সেটি ভুল বোঝাবুঝিতে সেই জুটি ভাঙে।

মিরাজের বল মিড উইকেটে খেলে ২ রান নিতে চেযেছিলেন কাইয়া। তাইজুলের থ্রোয়ের পর স্টাম্প ভাঙেন মিরাজ। ফলে রান আউটে কাটা পড়েন মাধেভেরে। এর পর ইনোসেন্ট কাইয়া ও সিকান্দার রাজার ব্যাটে প্রতিরোধ গড়ে জিম্বাবুয়ে।

ইনোসেন্ট কাইয়া ১১০ রান করে মোসাদ্দেকের বলে বিদায় নেন। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় জিম্বাবুয়ে। সিকান্দার রাজা ১৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন।

কাইয়াকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙলেন মোসাদ্দেক

অবশেষে বাংলাদেশ ভাঙতে পেরেছে কাইয়া ও রাজার ১৯২ রানের জুটি। কাইয়া ফিরেছেন ১২২ বলে ১১০ রান করে।

মোসাদ্দেকের আগের বলেই স্টাম্পিং থেকে বেঁচেছেন। পরের বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ তুললেন কাইয়া, এবার ফাইন লেগে ভুল করেননি শরিফুল ইসলাম।

জিম্বাবুয়ের রান ৪ উইকেটে ২৫৪।

কাইয়া ও রাজার সেঞ্চুরি, ব্যাকফুটে বাংলাদেশ

কাইয়ার সেঞ্চুরির ওভারেই শতরান পূরণ করলেন সিকান্দার রাজা। একই ওভারে দুইবার উল্লাসে মাতল হারারে। দুজনের জুটি শুরু হয়েছিল ৬২ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর। দুজন শতকের দেখা পেলেন একই ওভারে।

তাসকিন আহমেদের বলে দুটি রান দিয়ে সেঞ্চুরি করলেন তিনি স্রেফ ৮১ বলে। তার ইনিংসে চার ৮টি, ছক্কা ৪টি।

দারুণ ব্যাটিংয়ে কাঙ্ক্ষিত মাইলফলকে পৌঁছে গেলেন ইনোসেন্ট কাইয়া। ক্যারিয়ারের চতুর্থ ওয়ানডেতেই পেলেন প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ। তাসকিন আহমেদের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ১১৫ বলে এলো তার শতরান।

কাইয়া-রাজার ব্যাটে এগোচ্ছে জিম্বাবুয়ে

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে ২ উইকেটে ৩০৩ রান করেছে বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের তামিম, লিটন, এনামুল ও মুশফিক ফিফটি করেছেন। জবাব দিতে নেমে প্রথম দুই ওভারে ২ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ফিফটি রানের জুটি দিয়ে রান আউট হন মেধেভেরে। এরপর ইনোসেন্ট কায়া ও সিকান্দার রাজা দলকে টানছেন।

জিম্বাবুয়ে ২৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রাটে ব্যাট করছে। ক্রিজে থাকা কাইয়া ৫৯ রানে খেলছেন। তার সঙ্গী সিকান্দার রাজা করেছেন ৪৩ রান।

রান আউটে তৃতীয় উইকেট হারালো জিম্বাবুয়ে

মেহেদী হাসান মিরাজের বলে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে অন সাইডে খেলেন মাধেভেরে। একটি রান হয়ে যায় অনায়াসেই। মিড উইকেটে বদলি ফিল্ডার তাইজুল ইসলাম বল থামাতে গিয়ে গড়বড় করেন খানিকটা। তাতেই আরেকটি রান নিতে চেষ্টা করেন দুই ব্যাটসম্যান।

তবে ফিল্ডার দ্রুতই সামলে থ্রো করেন নন স্ট্রাইক প্রান্তে। রান নিতে গিয়ে মাঝ উইকেটে চলে যাওয়া মাধেভেরে আবার ফেরার চেষ্টায় পারেননি সফল হতে। মিরাজ বল ধরে ফেলে দেন বেলস। মাধেভেরে ও কাইয়ার জুটি থেমেছে ৪২ রানে। জিম্বাবুয়ে হারিয়েছে তৃতীয় উইকেট।

২৭ বলে ১৯ রান করে আউট হলেন মাধেভেরে। ৫৬ রানে থামল তৃতীয় উইকেট জুটি। নতুন ব্যাটসম্যান জিম্বাবুয়ের সবচেয়ে বড় ভরসা সিকান্দার রাজা।

মুসাকান্দাকে ফেরালেন শরিফুল, বাংলাদেশের দারুণ শুরু

প্রথম ওভারেই আঘাত করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। পরের ওভারে আঘাত করেছেন শরীফুল ইসলাম।
মুস্তাফিজের মতো প্রথম ওভারে উইকেটের দেখা পেলেন শরিফুল ইসলামও। শরিফুলের বলটি মোটেও খুব ভালো কিছু ছিল না। অফ স্টাম্পের বেশ বাইরে ফুল লেংথ বলটির প্রাপ্য ছিল বাউন্ডারি। কিন্তু উড়িয়ে মারার চেষ্টায় বলের নিচে যেতে পারেননি মুসাকান্দা। টাইমিংয়র গড়বড়ে বল উঠে যায় স্রেফ ওপরে। বৃত্তের ভেতর কাভারে সহজ ক্যাচ নেন মোসাদ্দেক হোসেন।

শুরুতেই চাকাভাকে ফেরালেন মুস্তাফিজ।

ডেলিভারিটি ছির একদমই নীরিহ। অফ স্টাম্পের বাইরে পিচ করে আরও বেরিয়ে যাচ্ছিল বল। চাকাভা বলের পিচে না গিয়ে জায়গায় দাঁড়িয়ে চেষ্টা করেন গায়ের জোরে মারার। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে আসে স্টাম্পে। ৬ বলে ২ রানে আউট চাকাভা। ১ ওভার শেষে জিম্বাবুয়ের রান ১ উইকেটে ২।

জিম্বাবুয়েকে ৩০৪ রানের লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ

জিম্বাবুইয়ান বোলারদের শাসন করে বাংলাদেশ দল প্রথম ওয়ানডেতে পেল ৩০৩ রানের বড় সংগ্রহ! দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের পসরা সাজিয়ে তামিম, লিটন, বিজয়ের ফিফটি। ওয়ানডে ফরম্যাটে মনে রাখার মতো কামব্যাক করলেন বিজয়। হারারেতে প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৩০৪ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ।

তামিম ও লিটন ভাল শুরু এনে দিয়েছেন দলকে। ফিফটি করে, প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ৮ হাজার রানের রেকর্ড গড়েন তামিম।ফিরেছে ৬২ রানে। ফিফটি করেছেন লিটনও। তবে হ্যামস্টিং চোটে, রিটায়ার্ড হার্ট হয়েছে ড্রেনিংরুমে ফিলেছেন লিটন। বিজয় আউট হয়েছেন ৭৩ রান। সবশেষ ১৯ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে হারেনি বাংলাদেশ।

হারাতেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ব্যাটিংয়ে নেমে যেন রানের ফুলঝুরি ছোটান বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল আর লিটন দাস। দুর্দান্ত খেলে এই জুটি বাংলাদেশকে এনে দেন শতরানের উদ্বোধনী জুটি।

এর মাঝেই তামিম ইকবাল ছুঁয়েছেন ওয়ানডেতে ৮ হাজার রানের মাইলফলক। প্রথম বাংলাদেশি, আন্তর্জাতিক বিবেচনায় ৩৩তম ব্যাটসম্যান ও ৯ম ওপেনার হিসেবে এই রেকর্ড গড়লেন টাইগার অধিনায়ক।

ব্যক্তিগত অর্ধশত পেরিয়ে তামিম ছুটছিলেন শতকের দিকে। কিন্তু বাঁধা হয়ে দাঁড়ালেন সিকান্দার রাজা। ৬২ রানে তামিমকে বিদায় করে রাজা ভাঙলেন ১১৯ রানের উদ্বোধনী জুটি। তামিম ফেরার পর ফিফটি পূর্ণ করেন লিটন দাসও, যা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সপ্তম। ৭৫ বলে ফিফটি হাঁকানোর লিটন পরের ১৪ বলে করেন ৩১। শতরানের পথে থাকা লিটন শেষপর্যন্ত রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরলেন ৮১ রানে।

তিন বছর পর ওয়ানডেতে ব্যাট হাতে নেমেই এনামুল হক বিজয়ের বাজিমাত। ৪৮ বলে ফিফটি হাঁকিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ৭৩ রানের ইনিংস খেলে। মুশফিকুর রহিমও এদিন পেয়েছেন ফিফটির দেখা। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১২ বলে ২০ করে থাকেন অপরাজিত। কেবল দুই উইকেট খুইয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩০৩ রান করেছে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ৩০৩/২ (তামিম ৬২, লিটন আহত অবসর ৮১, এনামুল ৭৩, মুশফিক ৫২*, মাহমুদউল্লাহ ২০*; এনগারাভা ১০-১-৬১-০, নিয়াউচি ১০-১-৭০-১, মাসাকাদজা ৫-০-৩১-০, জঙ্গুয়ে ১০-০-৫৬-০, বার্ল ১.১-০-৮-০, শুম্বা ৪.৫-০-২৭-০, রাজা ৯-০-৪৮-১, মাধেভেরে ১-০-৫-০)।

বিজয়ের অর্ধশতক, বড় সংগ্রহের পথে বাংলাদেশ

তিন বছর পর ওয়ানডেতে ফেরার ম্যাচটি দারুণ এক ফিফটিতে রাঙালেন এনামুল হক। মিল্টন শুম্বার বলে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে ছক্কায় উড়িয়ে পঞ্চাশে পা রাখলেন ৪৭ বলেই।

৩৯ ওয়ানডেতে তার চতুর্থ ফিফটি এটি, সেঞ্চুরি আছে আরও ৩টি। সবশেষ ফিফটি করেছিলেন তিনি ২০১৪ সালের নভেম্বরে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই মিরপুরে।

৪৩ ওভারে বাংলাদেশ ২৩৫/১

শতরানের উদ্বোধনী জুটির পর তামিমের বিদায়

শর্ট লেংথের বলে তুলে মারতে গিয়ে টপ-এজড হয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, ধরা পড়েছেন ইনোসেন্ট কাইয়ার হাতে। ৮৮ বলে ৬২ রান করে ফিরেছেন তামিম, বাংলাদেশ প্রথম উইকেট হারিয়েছে ১১৯ রানে। জিম্বাবুয়ে পেল প্রথম উইকেটের দেখা। ব্রেক থ্রু এনে দেয়া বোলার সিকান্দার রাজা। নতুন ব্যাটসম্যান এনামুল হক।

বাংলাদেশ ৩০ ওভারে ১৪৪/১

তামিমের অর্ধশতক, বাংলাদেশের ১০০

৪৮ রানে দাঁড়িয়ে ৯টি ডট বল খেলেছেন তামিম। ২২তম ওভারে প্রথমবারের মতো আসা সিকান্দার রাজার বলে সিঙ্গেল নিয়ে সে খরা কাটিয়েছেন তিনি।

পরের ওভারে মিল্টন শুম্বাকে স্কুপ করে ডাবলস নিয়ে ক্যারিয়ারের ৫৪তম অর্ধশতক পেয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। মাইলফলকে যেতে তাঁর লাগল ৭৯ বল।

পরের ওভারে ১০০ ছুঁয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ, কোনো উইকেট না হারিয়ে।

তামিম-লিটনের ৫০ রানের জুটি

প্রথম ১০-১৫ ওভার দেখে খেলার যে পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন তামিম ইকাল, ব্যাটিংয়েও দেখা যাচ্ছে সেটিরই প্রতিফলন। তামিম ও লিটন দাস সাবধানী ব্যাটিংয়ে পার করে দিয়েছেন প্রথম ১০ ওভার গড়েছেন ৫০ রানের জুটি। কোনো ঝুঁকি নেননি দুজনের কেউই। টাইগারদের এখন পর্যন্ত সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৫৬ রান।

জিম্বাবুয়ের পেসাররাও দিচ্ছেন দারুণ ডেলিভারি। বাংলাদেশের দুই ওপেনারকে অস্বস্তিতে ফেলেছেন কয়েক দফায়। তবে যথেষ্ট ধারাবাহিক তারা হতে পারেননি। তাই যথেষ্ট চাপ তৈরি করা যায়নি। কিছু আলগা বলও করেছেন। সেটির ফায়দা নিয়েছেন ব্যাটসম্যানরা, বিশেস করে তামিম।

প্রথম ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

টি-টোয়েন্টির ব্যর্থ মিশনের পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আজ প্রথম ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। পছন্দের ফরম্যাটে প্রতিশোধ নিতে মুখিয়ে টাইগার টিম। নিজস্ব কন্ডিশনে বিপজ্জনক জিস্বাবুয়েকে নিয়ে সতর্ক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এখন পর্যন্ত সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৩২ রান।

তামিমের সাথে ইনিংস ওপেন করতে নেমেছেন লিটন দাস। একাদশে ফিরেছেন উইন্ডিজ সিরিজ মিস করা মুশফিক। তিন পেসারের সাথে এক স্পিনার রাখা হয়েছে প্রথম ওয়ানডেতে। অলরাউন্ডার সাকিবের অভাব পূরণের ভরসা রাখা হচ্ছে মোসাদ্দেক সৈকতের উপর। অন্যদিকে দুই অভিজ্ঞ ক্রেগ আরভিন ও শন উইলিয়ামসকে মিস করবে স্বাগতিকেরা।

২০১৩ এর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ওয়ানডে হারেনি বাংলাদেশ, জিতেছে টানা ১৯ ম্যাচ। শেভরনসের বিরুদ্ধে অপরাজেয় ট্যাগ ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ, ফেবারিট হলেও সতর্ক অধিনায়ক তামিম।

ওডিআই অধিনায়ক তামিম ইকবালের আশা, যদি ওদের হারাতে চাই, নিজেদের সেরা খেলাটাই খেলতে হবে।

তিনি বলেন, দুই দলের শক্তি বিচার করলে আমরাই এগিয়ে। তবে ক্রিকেটে নির্দিষ্ট দিনে যে ভালো করবে, জিতবে সেই দলই। টি-টোয়েন্টিতে তো জিম্বাবুয়ে আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে বলেই সিরিজ জিতেছে। এখানেও একই কথা। নিজেদের কন্ডিশনে জিম্বাবুয়ে বিপজ্জনক দল।

সাউথ আফ্রিকার পর উইন্ডিজে সিরিজ জয়, এই ফরম্যাটে উড়ছে বাংলাদেশ। তামিমের নেতৃত্বে সবশেষ সাত সিরিজের ছয়টায় ট্রফি টাইগারদের। দলীয় সমন্বয় সাফল্যের মূলমন্ত্র, সেই ধারাবাহিকতা রাখাই চ্যালেঞ্জ প্রতি মিশনে।

ওডিআই অধিনায়কের ভাষায়, এতো দিন ধরে আমরা যেটা সঠিকভাবে করে এসেছি, সেটিই করতে হবে। আর যে জিনিসগুলো ঠিকঠাক করিনি, ভুল করেছি, সেগুলো ঠিক করতে হবে। মোটকথা, প্রক্রিয়াটা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। কঠিন পরিস্থিতিতেও আমরা যেন ভালো করতে পারি।

জিম্বাবুয়ে ইনজুরি সমস্যায় জর্জরিত। অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন আর অভিজ্ঞ শন উইলিয়ামের ছিটকে যাওয়া ওদের জন্য বড় ধাক্কা। এই সিরিজে নেতৃত্ব দেবেন রেগিস চাকাভা। যে দল আছে, তা নিয়েই বাংলাদেশের শক্ত পরীক্ষা নিতে প্রস্তুত স্বাগতিকরা।

জিম্বাবুয়ের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রেগিস চাকাভা বলেন, বাংলাদেশ এই ফরম্যাটে শক্তিশালী দল। ফরম্যাট ভিন্ন, টি-টোয়েন্টি আর ওয়ানডে পুরোপুরি আলাদা। আমরা পজিটিভ ক্রিকেট খেলতে চাই। সবাই চ্যালেঞ্জ নিতে মুখিয়ে আছে।

সিরিজ শুরুর আগে স্পটলাইটে তামিম, ওয়ানডেতে ৮ হাজার রানের মাইলস্টোন স্পর্শের খুব কাছে ড্যাসিং ওপেনার।

বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন কুমার দাস, এনামুল হক, মুশফিকুর রহিম, মোসাদ্দেক হোসেন, মাহমুদউল্লাহ, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান।

জিম্বাবুয়ে একাদশ: রেজিস চাকাভা (অধিনায়ক), ইনোসেন্ট কাইয়া, ওয়েসলি মাধেভেরে, তারিসাই মুসাকান্দা, সিকান্দার রাজা, মিল্টন শুম্বা, রায়ার্ন বার্ল, লুক জঙ্গুয়ে, ভিক্টর নিয়াউচি, রিচার্ড এনগারাভা, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2012 joybd24
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Joybd24