০৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

৩৭ হাজার বোতল মদের গন্তব্য ছিল বার-ক্লাব,

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২
  • 14

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক কাষ্টমসসহ সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়াকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ঢাকায় ঢোকার চেষ্টা অবৈধ চালানের দুটি কন্টেইনারের। তথ্য পেয়ে অভিযানে নামে র‍্যাব।

কন্টেইনার দুটি শনাক্তের পর দরজা খুলতেই বেরিয়ে এলো বাক্সবন্দি ৩৭ হাজার বোতল বিদেশি মদ। যা দেখে কাস্টমস কর্মকর্তারাও হতবাক।

প্রশ্ন উঠেছে, এতো বড় মদের চালান কাষ্টমস ক্লিয়ারেন্স ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বের হলো কিভাবে। চালানের প্রকৃত মালিকই কে বা কারা এই অবৈধ মদের ক্রেতা? সংবাদ সম্মেলনে এসব প্রশ্নের জবাব দেন র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক।
র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা যাদের গ্রেপ্তার করেছি তারাও বলেছে যে তাদের কোথাও স্ক্যানিংয়ের যে বিষয় রয়েছে সেটি তারা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। সেটা নিশ্চয়ই কাস্টমসে যারা তদন্ত করছেন কর্মকর্তারা তারা হয়তো এ ব্যাপারটি বের করতে পারবেন কিভাবে স্ক্যানিং ছাড়া বা কিভাবে এ মালামালটি ঢাকায় চলে আসছে। আজিজুল ইসলাম, আশিক ও আহাদ তারা এ দুই ভাই এবং পিতা মিলেই মূলত বাংলাদেশে এই সিন্ডিকেটটি তারা পরিচালনা করে আসছিল। ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন স্বনামধন্য যে হোটেল রয়েছে বা বিভিন্ন বার রয়েছে বা ক্লাব রয়েছে এগুলোতে তারা এগুলো দিয়ে থাকে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিকভাবে একটি সিএন্ডএফ এজেন্টের বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে, তাদের ধরতে অভিযান চলছে। এর সঙ্গে কাস্টমস অফিসের কেউ জড়িত কিনা তাও খতিয়ে দেখছে র‍্যাব। তদন্তে বেরিয়ে আসবে বলে জানায় র‍্যাব।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, সিএন্ডএফ এজেন্ট যারা তাদেরকেও আমরা শনাক্ত করেছি। তাদেরকেও আমরা খুঁজছি। সেখানে আমরা জাফর, শামিম, রায়হান নামে বিভিন্ন ব্যক্তিদের পেয়েছি বিভিন্নভাবে যাদের নাম এসেছে। পাশাপাশি শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তা যারা আছেন তারাও ব্যাপারটি তদন্ত করছে কিভাবে এগুলো স্ক্যানিং ছাড়া কিংবা স্ক্যানিং যদিও হয়ে থাকে তাহলে কিভাবে গার্মেন্টস পণ্য হিসেবে বের হয়ে আসলো।

র‍্যাবের দাবি, এই চক্রটি এর আগেও চারবার এমন চালান ঢাকায় এনেছে।

মূলহোতা মুন্সীগঞ্জের ষোলঘর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম। যিনি আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক উপকমিটির সদস্য। ঘটনার দিন সকালে দুবাই পালিয়ে গেছেন আজিজুল। তবে তার ছেলে আহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, রাজধানীর বেশ কয়েকটি অভিজাত ক্লাব এই অবৈধ মদের ক্রেতা।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

৩৭ হাজার বোতল মদের গন্তব্য ছিল বার-ক্লাব,

Update Time : ০৩:০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক কাষ্টমসসহ সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়াকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ঢাকায় ঢোকার চেষ্টা অবৈধ চালানের দুটি কন্টেইনারের। তথ্য পেয়ে অভিযানে নামে র‍্যাব।

কন্টেইনার দুটি শনাক্তের পর দরজা খুলতেই বেরিয়ে এলো বাক্সবন্দি ৩৭ হাজার বোতল বিদেশি মদ। যা দেখে কাস্টমস কর্মকর্তারাও হতবাক।

প্রশ্ন উঠেছে, এতো বড় মদের চালান কাষ্টমস ক্লিয়ারেন্স ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বের হলো কিভাবে। চালানের প্রকৃত মালিকই কে বা কারা এই অবৈধ মদের ক্রেতা? সংবাদ সম্মেলনে এসব প্রশ্নের জবাব দেন র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক।
র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা যাদের গ্রেপ্তার করেছি তারাও বলেছে যে তাদের কোথাও স্ক্যানিংয়ের যে বিষয় রয়েছে সেটি তারা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। সেটা নিশ্চয়ই কাস্টমসে যারা তদন্ত করছেন কর্মকর্তারা তারা হয়তো এ ব্যাপারটি বের করতে পারবেন কিভাবে স্ক্যানিং ছাড়া বা কিভাবে এ মালামালটি ঢাকায় চলে আসছে। আজিজুল ইসলাম, আশিক ও আহাদ তারা এ দুই ভাই এবং পিতা মিলেই মূলত বাংলাদেশে এই সিন্ডিকেটটি তারা পরিচালনা করে আসছিল। ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন স্বনামধন্য যে হোটেল রয়েছে বা বিভিন্ন বার রয়েছে বা ক্লাব রয়েছে এগুলোতে তারা এগুলো দিয়ে থাকে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিকভাবে একটি সিএন্ডএফ এজেন্টের বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে, তাদের ধরতে অভিযান চলছে। এর সঙ্গে কাস্টমস অফিসের কেউ জড়িত কিনা তাও খতিয়ে দেখছে র‍্যাব। তদন্তে বেরিয়ে আসবে বলে জানায় র‍্যাব।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, সিএন্ডএফ এজেন্ট যারা তাদেরকেও আমরা শনাক্ত করেছি। তাদেরকেও আমরা খুঁজছি। সেখানে আমরা জাফর, শামিম, রায়হান নামে বিভিন্ন ব্যক্তিদের পেয়েছি বিভিন্নভাবে যাদের নাম এসেছে। পাশাপাশি শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তা যারা আছেন তারাও ব্যাপারটি তদন্ত করছে কিভাবে এগুলো স্ক্যানিং ছাড়া কিংবা স্ক্যানিং যদিও হয়ে থাকে তাহলে কিভাবে গার্মেন্টস পণ্য হিসেবে বের হয়ে আসলো।

র‍্যাবের দাবি, এই চক্রটি এর আগেও চারবার এমন চালান ঢাকায় এনেছে।

মূলহোতা মুন্সীগঞ্জের ষোলঘর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম। যিনি আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক উপকমিটির সদস্য। ঘটনার দিন সকালে দুবাই পালিয়ে গেছেন আজিজুল। তবে তার ছেলে আহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, রাজধানীর বেশ কয়েকটি অভিজাত ক্লাব এই অবৈধ মদের ক্রেতা।