১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনাকে বেলজিয়ামের বাড়ি থেকে বের করে দেয়া সেই রাষ্ট্রদূতের পরিবারের জালিয়াতি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৩:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২
  • 26

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে বেলজিয়ামের বাড়ি থেকে বের করে দেয়া তৎকালীন রাষ্ট্রদূত সানাউল হকের পরিবারের জালিয়াতি ধরা পড়ল ঢাকার জেলা জজ আদালতে।

খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখে বার বার উঠে এসেছে বেলজিয়ামের বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার ইতিহাসের এ চরম সত্য। সেই ঘটনার ৪৭ বছর পর ঢাকার আদালতে ধরা পড়লো নাম পাল্টে সানাউল হকের পরিবারের জালিয়াতি। বাড়ি বিক্রি করতে করা হয় বাবার নাম বদল।

মানসিক স্বাস্থ্য আইন ২০১৮ এ সানাউল হকের বড় ছেলে প্রতিবন্ধী ইরতেফা মামুনের শরীর ও সম্পত্তির অভিভাবকত্ব চেয়ে ঢাকার জেলা জজ আদালতে মামলা করেন তার বোন ইতাত মামুন। যেখানে সানাউল হকের নাম লেখা হয় প্রয়াত এ এম সানাউল হক।

এ নামে গুলশানের আরেকটি বাড়ি ২০১৫ সালে নিজেদের নামে নিয়ে বিক্রিও করে সানাউল হকের পরিবার। গত বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) এসব নথি দেখে বিচারকের সন্দেহ হলে জানতে চান সানাউল হকের বিস্তারিত পরিচয়। শুরুতে তারা পরিচয় প্রকাশ করতে অস্বীকার করলেও একপর্যায়ে স্বীকার করেন এই সানাউল হকই বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে বেলজিয়ামের দূতাবাসের বাড়ি থেকে বের করে দেয়া তৎকালীন বেলজিয়ামের রাষ্ট্রদূত ।

মামলার নথি ঘেঁটে দেখা যায়, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ৩ নম্বার রোডের ১৩ নম্বার বাড়িটির দাবিদার সানাউল হকের পরিবারের ৫ সদস্য। গুলশান ও ধানমন্ডির দুটো জমিই তারা পান আইয়ুব খানের শাসনামলে। তবে এরই মধ্যে গুলশানের বাড়িটি বিক্রি করে দিয়েছেন। আদালত সূত্র বলছে, এখন নাম পাল্টে ধানমন্ডির বাড়িটি বিক্রি করতে পারলে হয়ত পুরোপুরি দেশ ছাড়বেন তারা।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা অতিথি হিসেবে ছিলেন বেলজিয়ামের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত সানাউল হকের বাসায়। সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর বদলে যান সাবেক রাষ্ট্রদূত সানাউল হক।

খন্দকার মোশতাকের সহযোগী সানাউল হককে অত্যন্ত স্নেহ করতেন বঙ্গবন্ধু। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনেকের আপত্তি সত্ত্বেও তাকে রাষ্ট্রদূত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু ।সূত্র : – চ্যানেল ২৪

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

শেখ হাসিনাকে বেলজিয়ামের বাড়ি থেকে বের করে দেয়া সেই রাষ্ট্রদূতের পরিবারের জালিয়াতি

Update Time : ০১:৩৩:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে বেলজিয়ামের বাড়ি থেকে বের করে দেয়া তৎকালীন রাষ্ট্রদূত সানাউল হকের পরিবারের জালিয়াতি ধরা পড়ল ঢাকার জেলা জজ আদালতে।

খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখে বার বার উঠে এসেছে বেলজিয়ামের বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার ইতিহাসের এ চরম সত্য। সেই ঘটনার ৪৭ বছর পর ঢাকার আদালতে ধরা পড়লো নাম পাল্টে সানাউল হকের পরিবারের জালিয়াতি। বাড়ি বিক্রি করতে করা হয় বাবার নাম বদল।

মানসিক স্বাস্থ্য আইন ২০১৮ এ সানাউল হকের বড় ছেলে প্রতিবন্ধী ইরতেফা মামুনের শরীর ও সম্পত্তির অভিভাবকত্ব চেয়ে ঢাকার জেলা জজ আদালতে মামলা করেন তার বোন ইতাত মামুন। যেখানে সানাউল হকের নাম লেখা হয় প্রয়াত এ এম সানাউল হক।

এ নামে গুলশানের আরেকটি বাড়ি ২০১৫ সালে নিজেদের নামে নিয়ে বিক্রিও করে সানাউল হকের পরিবার। গত বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) এসব নথি দেখে বিচারকের সন্দেহ হলে জানতে চান সানাউল হকের বিস্তারিত পরিচয়। শুরুতে তারা পরিচয় প্রকাশ করতে অস্বীকার করলেও একপর্যায়ে স্বীকার করেন এই সানাউল হকই বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে বেলজিয়ামের দূতাবাসের বাড়ি থেকে বের করে দেয়া তৎকালীন বেলজিয়ামের রাষ্ট্রদূত ।

মামলার নথি ঘেঁটে দেখা যায়, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ৩ নম্বার রোডের ১৩ নম্বার বাড়িটির দাবিদার সানাউল হকের পরিবারের ৫ সদস্য। গুলশান ও ধানমন্ডির দুটো জমিই তারা পান আইয়ুব খানের শাসনামলে। তবে এরই মধ্যে গুলশানের বাড়িটি বিক্রি করে দিয়েছেন। আদালত সূত্র বলছে, এখন নাম পাল্টে ধানমন্ডির বাড়িটি বিক্রি করতে পারলে হয়ত পুরোপুরি দেশ ছাড়বেন তারা।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা অতিথি হিসেবে ছিলেন বেলজিয়ামের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত সানাউল হকের বাসায়। সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর বদলে যান সাবেক রাষ্ট্রদূত সানাউল হক।

খন্দকার মোশতাকের সহযোগী সানাউল হককে অত্যন্ত স্নেহ করতেন বঙ্গবন্ধু। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনেকের আপত্তি সত্ত্বেও তাকে রাষ্ট্রদূত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু ।সূত্র : – চ্যানেল ২৪