রমজানকে সামনে রেখে প্রতিদিনই আমদানী পণ্য দ্রুত খালাসের উদ্যোগ চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপ‌ক্ষের।

জয়‌বি‌ডিজয়‌বি‌ডি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  08:11 PM, 19 March 2021

আমদানী পণ্য দ্রুত খালাসের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে পণ্য খালাস না করে যারা বন্দর ইয়ার্ডকে গুদাম হিসাবে ব্যবহার করছে তাদের দ্বিগুণ হারে জরিমানা করা হবে। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে অংশীজনদের সাথে আলোচনার প্রয়োজন।

রমজানকে সামনে রেখে প্রতিদিনই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানী হচ্ছে ভোগ্যপণ্য। বিনা মাসুলে ইয়ার্ডে চার দিন কন্টেইনার রাখার বিধান থাকলেও বিভিন্ন আমদানীকারক তা মানছে না। এতে তৈরি হয়েছে কন্টেইনার জট। ৪৯ হাজার টিইউএস ধারণ ক্ষমতার ইয়ার্ডে বর্তমানে কন্টেইনার আছে ৩৯ হাজারের বেশি। এ অবস্থায় বন্দর কার্যক্রমে গতিশীলতা বাড়াতে বন্দর থেকে দ্রুত পণ্য বোঝাই কন্টেইনার খালাসের নির্দেশনা দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দরের পরিকল্পনা ও প্রশাসন সদস্য জাফর আলম বলেন, আমাদের এখন টার্মিনাল সিস্টেম সফটওয়্যার আছে। আমরা সেই সকল ব্যবসায়ী যারা ইমপোর্টার তাদেরকে চিহ্নিত করতে পারবো, যারা দীর্ঘ সময় ধরে চট্টগ্রাম বন্দরের ভেতরে পণ্য রেখে ওয়্যারহাউজ হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা আছে।

তবে, বন্দর কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্তে একমত নন চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা। অন্য কোন কারণে পণ্য খালাসে জটিলতা তৈরি হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখার কথা বলছেন তারা।

বিজিএমইএ সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, একশ’ জন ইমপোর্টারের মধ্যে যখন আমি সার্ভে করবো তখন আমরা বুঝতে পারবো অন্য কোন জটিলতার কারণে ডিলে হচ্ছে কিনা।

চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, সবাইকে মিলেমিশে কাজ করতে হবে। বন্দর যদি এখানে মাশুল বা ট্যাক্স বসিয়ে দেয় সেটা দিতে আমরা চাই না।

বন্দর কার্যক্রমে গতিশীলতা বাড়াতে দ্রুত পণ্য খালাসে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন :