যেকারণে তন্ময় আহমেদ তাসনিম-বার্গম্যানদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু।

joybd24joybd24
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  02:14 PM, 18 July 2021

হঠাৎ করেই তাসনিম-বার্গম্যানদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু কেনো তন্ময় আহমেদ?

জামায়াত-শিবির ক্যাডারদের বর্বরোচিত হামলার পর ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া তন্ময় আহমেদকে নিয়ে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে তাসনিম খলিল ও ডেভিড বার্গম্যানরা। কিন্তু কেনো? কারণ বরাবরই তারা পরিকল্পিতভাবে তথ্য সন্ত্রাসের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে দিকভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে, তাদের সরকারবিরোধী ও দেশবিরোধী অপতৎপরতা, গুজব ও উস্কানির বিপরীতে নিয়মিতই সক্রিয়ভাবে অনলাইনে সত্য তথ্য পরিবেশন করে চলেছেন তন্ময় আহমেদ।

তাই নেত্র নিউজ গং দেশের প্রধানমন্ত্রী, সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীর মানহানি এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির যে একচেটিয়া অপচেষ্টা ও নতুনপ্রজন্মের ব্রেনওয়াশের চেষ্টা করে; সেখানে তাদের প্রোপাগান্ডার বিপরীতে অনলাইন নির্ভর তরুণ প্রজন্মের সামনে যুক্তিযুক্ত সত্য তথ্য প্রদান করে ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন করেন তন্ময়। একারণে ডিজিটাল প্রজন্মের সচেতন তরুণ-তরুণীরাও তাসনিম-বার্গম্যান গংদের পাতানো ফাঁদে পা না দিয়ে, উল্টো প্রতিবাদ করে বসে। একারণে এই বিশাল ডিজিটাল প্রজন্মের মধ্যে তন্ময় আহমেদকে বিতর্কিত করতে এবং তার গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করার সুপরিকল্পিত অপপ্রয়াস থেকেই তারা তন্ময় আহমেদের পেছনে লেগেছে।

২০১২-১৩ সালে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বুয়েট ক্যাম্পাসকে জামায়াত-শিবিরের হাত থেকে রক্ষা করার মূল নায়ক হিসেবে পরিচিত তন্ময়কে নিয়ে সম্প্রতি নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে তাসনিম-বার্গম্যান গং। এতোদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, সরকার ও সেনাবাহিনী নিয়ে গুজব ছড়ানোর ক্রীড়নকরা হুট করেই তন্ময়কে টার্গেট করে তার ইমেজহানি করতে চাচ্ছে। এর মূল কারণ হলো, নতুন প্রজন্মের আওয়ামী ঘরানার অ্যাক্টিভিস্ট ও বিএনপি-জামায়াত বিরোধী ডিজিটাল কিশোর-তরুণদের মধ্যে তন্ময় আহমেদের নেতিবাচক ইমেজ তৈরি করা। মূলত: তন্ময়কে বিতর্কিত করে, অনলাইনে জামায়াত-বিএনপি-আইএসআই এজেন্টদের বিরুদ্ধে তন্ময়ের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে সমর্থন জানানো থেকে ডিজিটাল প্রজন্মকে দূরে রাখতে চায় তারা। প্রত্যক্ষভাবে তন্ময়কে টার্গেট করলেও, তাদের অন্যতম পরোক্ষ লক্ষ্য হলো নতুন প্রজন্মের অ্যাক্টিভিস্টদের কণ্ঠস্বর চেপে ধরা।

তন্ময়ের ওপর তাসনিম খলিলদের ক্ষোভের আরো অনেক কারণ। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার তন্ময় আহমেদকে টার্গেট করার পেছনে বহুমাত্রিক কারণে রয়েছে। নতুনদের জানার সুবিধার জন্য, পুরনো কারণগুলো নিচে সংক্ষেপে লেখা হয়েছে। আর নেত্র নিউজ নামক প্রোপাগান্ডা ওয়েবসাইটের তথাকথিত সম্পাদক তাসনিম খলিলের উত্তেজনার সাম্প্রতিক কারণগুলো হলো: অনলাইনে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারবিরোধী একচেটিয়া প্রোপাগান্ডা ছড়াতে তীব্রভাবে বাধাপ্রাপ্ত হওয়া। করোনা মহামারিকালে বাংলাদেশে গণমৃত্যুর আতঙ্ক সৃষ্টি করে সরকারকে বিপাকে ফেলতে চেয়েছিল বিএনপি-জামায়াত ও তাদের বিদেশি এজেন্টরা। এমনকি টিকাবিরোধী গুজব সৃষ্টি করে মানুষকে বিরত রাখার চেষ্টা করেছে টিকা নেওয়া থেকেও। কিন্তু অনলাইনে অবিরত সরকারের প্রতিটি প্রচেষ্টার কথা ফলাও করে প্রচার করেছে তন্ময়রা। এছাড়াও সেনাবাহিনী ও সরকারের বিরুদ্ধে সরলপ্রাণ জনতাকে উস্কে দেওয়ার অব্যাহত প্রচেষ্টাও করেছে এই তাসনিম-বার্গম্যান গং। শুধু তাই নয়, জাতীয় স্বার্থ ও ঐতিহ্যবিরোধী প্রচারণা উস্কে দিয়ে উগ্রবাদীদের মাধ্যমে একাধিকবার দেশকে অস্থিতিশীল সর্বোচ্চ চেষ্টাও করেছে এই কুচক্রীরা। কিন্তু তন্ময় আহমেদ ও নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা সর্বদাই অনলাইনে থেকে তাদের গুজব প্রতিহত করেছে এবং প্রতিটি ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে সত্য তথ্য উপস্থাপন করেছে জনগণের সামনে। একারণে নেত্র নিউজের মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের আন্তর্জাতিক এজেন্টদের একচেটিয়া গুজব ও উস্কানির একাধিক পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়ে যায়। ফলে অনলাইনে সক্রিয় ডিজিটাল প্রজন্মের কাছ থেকে তন্ময় আহমেদকে দূরে সরাতে নতুন এজেন্ডা নিয়ে অপপ্রচারে নেমেছে তারা।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তুমুল জনপ্রিয় ভোটে জিতে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ২০০৯ সালে গঠিত এই সরকারের মেয়াদের সাড়ে তিন বছর পার হতেই মাঠের দখল নিতে প্রকাশ্য হতে শুরু করে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে সরকার বদলানো যাবে না বুঝতে পেরে, দেশজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করার মিশনে নামে তারা। এজন্য ২০১২ সালের জুন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্থিতিশীল করার কাজ শুরু করে তারা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সামনে রেখে, বুয়েটে ভিসিবিরোধী আন্দোলনের ছদ্মবেশে, সরকারবিরোধী অপতৎপরতা শুরু করে বিএনপি-জামায়াতের কুশীলবরা। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বুয়েট ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে ব্যাপক জনসমাবেশ করে অচলাবস্থা সৃষ্টি করে শিবিরের নেতাকর্মীরা। কিন্তু দাফতরিক তথ্য প্রমাণের অভাবে সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হচ্ছিলো না। ফলে সময়ের সাথে সাথে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরকারবিরোধী আন্দোলনের জাল ছড়াচ্ছিলো তারা। তাদের মূল টার্গেট ছিল, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর দখল নেওয়া এবং সেগুলোকে মিনি-ক্যান্টনমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা।

কিন্তু সরলপ্রাণ কিছু সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের সামনে রাখায়, দেশের আপামর জনতাও প্রকৃত ঘটনা বুঝতে পারছিল না। কারণ, দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে বুয়েট সব মানুষের কাছে একটি সেনসিটিভ জায়গা। একারণেই বুয়েটকে কেন্দ্র করেই দেশজুড়ে নাশকতা ছড়ানোর মাস্টারপ্ল্যান করেছিল বিএনপি-জামায়াতের মাস্টারমাইন্ডরা। তবে শুধু ভিসি বিরোধী একটা আন্দোলনের জন্য প্রায় পাঁচ মাস ধরে শিক্ষার্থীদের তীব্র অবরোধ ও সমাবেশ, প্রকাশ্যে ধর্মগ্রন্থ নিয়ে শপথ করা, হাত কেটে রক্ত শপথ; সামাজিক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী, সরকার, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগবিরোধী তীব্র ঘৃণা ছড়ানো, প্রভৃতি কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষদের মনেও এই আন্দোলন নিয়ে সন্দেহ শুরু হয়। ঠিক এমন একটি পরিস্থিতিতে, বুয়েটকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের এই অপতৎপরতার নথিপত্র প্রকাশ করতে শুরু করে তন্ময়ের নেতৃত্বে বুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। শিবির নেতাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে, ২০১২ সালের অক্টোবরের শেষের দিকে তন্ময় ও দীপসহ বুয়েট ছাত্রলীগের নেতারা গোপনে শিবিরকর্মীদের কয়েকটি রুম তল্লাশি করে। একটি রুম থেকে এই আন্দোলনের প্রাত্যহিক কাজের বিররণ, অর্থ সংগ্রহ এবং পরিকল্পনা সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করে। এরপর সেসব তথ্য তারা ছড়িয়ে দেয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ফলে নতুন করে ভাবতে শুরু করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। প্রথমবারের মতো নড়েচড়ে ওঠে গণমাধ্যম।সেসব সূত্র ধরেই একের পর এক জট খুলতে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। একইসঙ্গে গভীর অনুসন্ধান শুরু করে সাংবাদিকরাও। প্রায় দুই সপ্তাহের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসতে শুরু করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এমনকি দেশকে অস্থিতিশীল করতে বুয়েটকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের গোপন তৎপরতা ফাঁসের সংবাদ তথ্য-প্রমাণসহ বাংলাদেশের শীর্ষ পত্রিকা, অনলাইন ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতেও সম্প্রচার হতে থাকে। ফলে জনগণের কাছেও পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে পড়ে। এরপরই গর্তে ঢুকে যায় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। প্রায় পাঁচ-ছয় মাসের হুংকার নিমিষেই বাতাসে মিলিয়ে যায়। সাধারণ শিক্ষার্থীরা নিজেদের মুক্ত করে ফেলে শিবিরের পাতানো ফাঁদ থেকে। এদিকে নাম-পরিচয়-ছবি ও আন্দোলনের নামে দেশব্যাপী অস্থিরতা ছড়ানোর যাবতীয় তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ায়, আত্মগোপনে চলে যায় জামায়াত-শিবিরের কুশীলবরা। এরপর এক বছর যেতে না যেতেই, ২০১৩ সালের ১০ আগস্ট রাতে তন্ময়কে বর্বরোচিতভাবে হত্যার মাধ্যমে এর প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করে শিবির ক্যাডাররা।

২০১২ সালের জুন-জুলাই থেকে বুয়েটকে সামনে রেখে, প্রতিদিন একটু একটু করে, আন্দোলনের ছদ্মবেশে, সুপরিকল্পিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর নাম ধরে, সরকারকে টার্গেট করে, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগবিরোধী ঘৃণা ছড়ানো হয়েছে জনগণের মাধ্যমে। জামায়াত-শিবির যখন কৌশলে সরকারের ওপর চেপে বসার মতো পরিস্থিতি করে ফেলছিল, ঠিক তখনই তন্ময় আহমেদের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান নেয়। এই তন্ময় ও তার সঙ্গীদের সাহসী অবস্থানের কারণেই আইনশৃঙ্খলাবাহিনী এবং গণমাধ্যম পরবর্তীতে নিজস্ব অনুসন্ধানের মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর তথ্য খুঁজে পায়। ফলে ফাঁস হয়ে পড়ে জামায়াত-শিবিরের ভয়ংকর পরিকল্পনা।

কিন্তু দীর্ঘদিনের সুপরিকল্পিত মাস্টারপ্লান নষ্ট হওয়ায় আপাত চুপ হয়ে যেতে বাধ্য হয় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। কিন্তু ২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আবার যখন গণজাগরণ শুরু হয়, তখন বিভিন্ন উগ্রবাদী গোষ্ঠীর ছদ্মবেশে বুয়েট ছাত্রলীগের ত্যাগী ও সাহসী নেতাদের হিট লিস্টে ফেলে দেয় তারা। এমনকি ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে, নির্মমভাবে কুপিয়ে আহত করে গণজাগরণের সক্রিয় কর্মী ও ছাত্রলীগ নেতা দীপকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় জুলাই মাসে প্রাণ হারান তিনি।

এমনকি বুয়েটকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের সরকারবিরোধী মাস্টারপ্ল্যান ব্যর্থ করার প্রধান নেতা তন্ময় আহমেদকে হত্যার জন্যও কিলার গ্রুপ পাঠায় জামায়াত-শিবিরের হাই কমান্ড। ২০১৩ সালের ১০ আগস্ট রাতে, নিজ এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরার সময় একদল সশস্ত্র ক্যাডার নির্মমভাবে হত্যার চেষ্টা করে তাকে। শিবিরের পুরনো ব্রান্ড-স্টাইলে তন্ময়ের মাথায়, ঘাড়ে ও গলায় চাপাতি দিয়ে উপর্যুপুরি কোপানোর পর জবাই করার চেষ্টা করা হয়। কেটে দেওয়া হয় রগ। কিন্তু অর্ধেক কাটা গলা নিয়ে প্রাণের তাগিদে দৌড় দিয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করতে সমর্থ হন তন্ময়। পরিস্থিতি নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় পালিয়ে যায় আততায়ীরা। এলাকার ভালো ছাত্র ও একজন ভালো ছেলে হিসেবে সুপরিচিত হওয়ায়, স্থানীয়রাই দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায় তন্ময়কে। সেখান থেকে জরুরিভিত্তিতে অ্যাম্বুলেন্সে করে রংপুর মেডিক্যালের জরুরি বিভাগে নিয়ে রাতভর টানা সাড়ে ৩ ঘণ্টার সার্জারি ও অব্যাহত রক্ত সরবরাহ করায় ভাগ্যক্রমে প্রাণে বাঁচেন তন্ময়। এরপর ঢাকায় এনে দীর্ঘদিন চিকিৎসা হয় তার। এখন এটি তার বোনাস জীবন। এখনও প্রায় অর্ধশত সেলাই ও ক্ষতিগ্রস্ত শরীর নিয়েই জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদ, সরকারবিরোধী বিএনপি-জামায়াত চক্র, এমনকি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া বিদেশি এজেন্টদেরও প্রকাশ্যে মোকাবিলা করে যাচ্ছেন এই তরুণ নেতা। যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে তিনি কোনো রাখঢাক না করে আওয়ামী লীগের আদর্শ ও শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনার পক্ষে অনলাইনে-অফলাইনে প্রকাশে ও তীব্রভাবে নিজের অবস্থান জানান দেন এবং অন্যদেরও সক্রিয় হতে উৎসাহিত করেন। একারণে তিনি ছাত্রজীবনে যেমন বিরোধীদের টার্গেট ছিলেন, এখন আরো বড় টার্গেটে পরিণত হয়েছেন।

গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে বর্বরোচিত হামলার ঘটনায়, রংপুর হাসপাতালের ওটিতে প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা জরুরি সার্জারির পর, প্রাথমিকভাবে প্রাণ বাঁচেন বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তন্ময় আহমেদ। তবে পরেরদিন আবারো হাসপাতালের ভেতরেই তাকে হত্যা করার জন্য লোক পাঠায় জামায়াত-শিবির। সেই আগন্তুককে আটক করে পুলিশ। এমনকি পরবর্তী কয়েকদিনের মধ্যে চারজন শিবির ক্যাডারকে ঢাকা, ঠাকুরগাঁও, গাইবান্ধার দুই উপজেলা থেকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বাংলাদেশের মূল ধারার সব গণমাধ্যমে সেসময় এসব নিয়ে বিস্তারিত সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।