যুক্তরাজ্যের বিমানবন্দর গু‌লো‌তে নতুন ব্যবস্থা চালু হ‌তে যা‌চ্ছে।

joybd24joybd24
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  07:46 PM, 07 July 2021

যুক্তরাজ্যের পরিবহন সচিব অনুদান শাপস এই সপ্তাহে এ ধরনের একটি ঘোষণা দেবেন। এই প্রকল্পের আওতায় কম ঝুঁকির দেশ থেকে আসা যাত্রীরা বিমানবন্দরে বোর্ডিংয়ের আগে তাদের টিকা দেওয়ার পূর্ণাঙ্গ তথ্য আপলোড করতে সক্ষম হবেন। এতে বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমবে।

বিবিসি জানিয়েছে, ১৯ জুলাই থেকে যুক্তরাজ্য লকডাউনের শিথিলে দেশটির সরকার ঘোষণা দেওয়ার ঠিক কয়েক দিন পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

যদিও যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো টিকাই শতভাগ কার্যকর নয়, তাই ডাবল ডোজ টিকা দেওয়া থাকলেও ১০ দিন বিচ্ছিন্ন বা কোয়ারেন্টাইনে থাকাই শ্রেয়।

আগামী সপ্তাহে হিথ্রো বিমানবন্দরে পরীক্ষামূলক এই প্রক্রিয়া শুরু হবে। এর আওতায় সুনির্দিষ্ট কয়েকটি গন্তব্য যেমন, এথেন্স, লস অ্যাঞ্জেলেস, মন্টেগো বে এবং নিউইয়র্ক থেকে হিথ্রোতে বিভ্রমণকারী যাত্রী যারা সম্পূর্ণ টিকা নিয়েছেন তারা টিকা গ্রহণের তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করবেন।

এক্ষত্রে যাত্রীরা যুক্তরাজ্য সীমান্তে বিশেষ আগমনী লেইন ব্যবহার করবেন। এই উদ্যোগর ফলে এয়ারলাইনস এবং বিমানবন্দরগুলোর সীমানা থেকে দূরে যাত্রীদের ভ্যাকসিনের তথ্য পরীক্ষা করতে পারবে, যা যুক্তরাজ্যের ইমিগ্রেশন হলগুলোর ওপর চাপ কমাবে।

এই ট্রায়ালে এনএইচএস অ্যাপ, সিডিসি কার্ড, মার্কিন রাজ্য-স্তরের ডিজিটাল সনদ এবং ইইউ ডিজিটাল কোভিড সনদসহ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত টিকাদান সনদ গ্রহণ করবে।

হিথ্রো বিমানবন্দরের প্রধান নির্বাহী জন হল্যান্ড-কায়ে বলেছেন, পরীক্ষামূলক এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা এটি দেখাতে পারব প্রস্থান ও আগমনের আগে যাত্রীদের টিকাগ্রহণের তথ্য যথাযথভাবে যাচাই এবং নিরাপদ চেক ইন সম্ভব। এর ফলে সম্পূর্ণ রূপে টিকা নেওয়া যাত্রীরা ১৯ জুলাই থেকে কোয়ারন্টোইন এড়াতে পারেন।

ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের প্রধান নির্বাহী ও চেয়ারম্যান শন ডয়েল একইভাবে বলেছেন, তিনি ‘আত্মবিশ্বাসী‘ এই উদ্যোগ সফল হবে।

তিনি বলেন, আমরা এমন একটি বার্তা দেওয়ার অপেক্ষায় আছি, যা প্রমাণ করবে পুরোপুরি ভ্যাকসিনের স্থিতি যাচাই করা সহজ এবং দেশকে সমানে এগিয়ে নিতে সরকার তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে।

ভার্জিন আটলান্টিকের প্রধান নির্বাহী শাই ওয়েইস বলেন, এই প্রকল্পটি বিমান পরিবহন শিল্পকে আবার পুরোপুরি সচল করবে। এর ফলে ট্রান্স আটল্যান্টিক করিডোর পুনরায় চালু করতে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। এই করিডোর বন্ধ থাকায় যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি থেকে প্রতিদিন ২৩ মিলিয়ন পাউন্ড ক্ষাতি হচ্ছে।