যশোরে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

জয়‌বি‌ডিজয়‌বি‌ডি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  10:10 PM, 09 January 2021

যশোরে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ২০১৯ সাল থেকে যশোর জেলায় বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ শুরু হয়। অল্প সময়ে এ পদ্ধতিতে মাছ চাষে সফলতাও পাচ্ছেন চাষিরা। এক শতাংশ জমিতে সনাতন পদ্ধতিতে যে পরিমাণ মাছ চাষ করা সম্ভব তার থেকে ২০-৩০ গুণ বেশি মাছ চাষ করা সম্ভব এ বায়োফ্লক পদ্ধতিতে।

মৎস্য গবেষকদের মতে, বায়োফ্লক পদ্ধতি মাছচাষে জৈব বর্জ্যের পুষ্টি থেকে পুনঃব্যবহারযোগ্য খাবার তৈরি করা হয়। এর বিশেষত্ব হলো, অল্প জায়গায় বিপুল পরিমান মাছ চাষ করা যায়। প্রথমে একটি খাচা তৈরি করা হয়, যার নিচের দিকে ঢালাই দিয়ে মাটির সঙ্গে আটকে দেয়া হয়। এর ঠিক মাঝামাছি জায়গায় পানির পাইপ সেট করা হয়।

হাসান শাহরিয়ার নামে যশোরের এক শৌখিন চাষি বায়োফ্লকের ওপর দেশে-বিদেশে ট্রেনিং নিয়ে একটি পোল্ট্রি প্রজেক্ট শুরু করেন। প্রথমে পরীক্ষামূলক মনোসেক্স তেলাপিয়া চাষ করে ভাল সাফল্য পান তিনি। তার সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয় অনেকেই এ পেশায় এগিয়ে এসেছেন।

সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও সহযোগিতা পেলে এ পদ্ধতিতে মাছচাষে ব্যাপক সাফল্য পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন চাষিরা।

যশোর সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব জানান বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছচাষ করতে চাষিদের সহায়তা দিচ্ছে মৎস্য বিভাগ।

আপনার মতামত লিখুন :