ভাস্কর্যকে ধর্মের সঙ্গে না জড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ইতিহাসবিদরা।

জয়‌বি‌ডিজয়‌বি‌ডি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  06:08 PM, 12 December 2020

একটি ভাস্কর্য একটি ইতিহা‌সের কথা ব‌লে। প্র‌তি‌টি ভাস্ক‌র্যের সৃ‌ষ্টি‌তে থা‌কে নতুন প্রজ‌ন্মের জন্য নতুন নতুন জ্ঞান, সত্য কোন ইতিহাস, এমনই অ‌ভিব্যা‌ক্তি প্রকাশ ক‌রে‌ছেন দে‌শের বি‌শিষ্টজনরা।

ভাস্কর্যকে ধর্মের সঙ্গে না জড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ইতিহাসবিদরা। পুজা করার জন্য মূর্তি নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ধর্মে ভাস্কর্য নির্মাণে বাধা নেই বলেই দাবি তাদের।

রাজনীতিকের মতে, ধর্মব্যবসায়ী ভাস্কর্য ও মূর্তিকে এক কাতারে এনে চিন্তা-চেতনাকে বিভ্রান্ত করছে। ইতিহাস ও সংস্কৃতির স্বার্থেই ভাস্কর্য নির্মাণ জরুরি বলে মত তাদের।

ভাস্কর্যকে দেখা হয় একটি দেশের শিল্প, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পরিচায়ক হিসেবে। নান্দনিকতার ছোঁয়ায় সৃষ্টিশীল চিন্তার বহি:প্রকাশ বলা হয় ভাস্কর্যকে। পৃথিবীর এমন কোন দেশ নেই যেখানে নজরকাড়া এ শিল্পের দেখা মিলবে না।

সাহিত্যিক যেমন সাহিত্য রচনা করেন, চিত্রকর ছবি আকেঁন, মৃৎশিল্পের কারিগর নির্মাণ করে মূর্তি। তেমনিভাবে ভাস্কর্য তৈরি করেন ভাস্কর। সবই মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম।

ভাস্কর্য ভেঙে ফেললেই ধর্ম রক্ষা হবে, এমনটা ভাববার কোন কারণ নেই। আসলে ধর্মের নামে মানুষকে ক্ষেপিয়ে তুলতে সারাক্ষণ ফন্দিফিকির করছে একটি মহল। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ হ ম বাহাউদ্দিন নাসিম বলেন এরা হতে পারে ধর্ম ব্যবসায়ী আর নয়ত স্বাধীনতাবিরোধী চক্র।

ভাস্কর্য দল বা গোষ্ঠীর মত, ধারণা বা নীতি প্রচারেও ভূমিকা রাখে। শান্তির ধর্ম ইসলামে ভাস্কর্যের ব্যাপারে কোন বিধি নিষেধ নেই বলে জানালেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আবদুল বাছির।

তিনি বলেন, এদেশে ভাস্কর্য নির্মাণের ইতিহাসটা বেশ দীর্ঘ। বিশিষ্টজনের প্রতিকৃতি নির্ভর ভাস্কর্যের সংখ্যাও কম নয়। তাই শিল্পকে ধর্মবিরোধী না বলে শিল্প হিসেবে দেখার আহবান জানান এ গবেষক।

আপনার মতামত লিখুন :