ভার‌তে গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৩,৬৪৫ জন ও আক্রান্ত ৩,৭৯,২৫৭ জন।

জয়‌বি‌ডিজয়‌বি‌ডি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  02:01 PM, 29 April 2021

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যায় প্রতিদিনই আগের দিনের রেকর্ডকে অতিক্রম করছে ভারত। মৃতের সংখ্যা তিন হাজার ও সংক্রমণের সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়েছে কয়েক দিন থেকেই।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৭৯ হাজার ২৫৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ৮৩ লক্ষ ৭৬ হাজার ৫২৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৬৪৫ জনের। একদিনে মৃত্যুর নিরিখে এই সংখ্যা গোটা অতিমারি পর্বে দেশে সর্বোচ্চ। গত বছর থেকে করোনাভাইরাস ২ লক্ষ ৪ হাজার ৮৩২ জনের প্রাণ কেড়েছে।

ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ক্রমাগত উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি অব্যাহত আছে, ফের দেশটিতে দৈনিক শনাক্ত ও মৃত্যু নতুন উচ্চতায় উঠেছে। টানা আট দিন ধরে ভারতে তিন লাখের বেশি করোনাভাইরাস রোগী শনাক্ত হল। সংক্রমণ যে হারে বাড়ছে তাতে অচিরেই দৈনিক শনাক্ত চার লাখ ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই দিন দেশটি মৃত্যুর সংখ্যায়ও নতুন উচ্চতায় উঠেছে। দেশটিতে মহামারীতে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যেই দুই লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

করোনাভাইরাস দেশে এখনও অবধি প্রাণ কেড়়েছে ২ লক্ষ ৪ হাজার ৮৩২ জনের। এই সংখ্যার নিরিখে বিশ্বের চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত। আগে রয়েছে আমেরিকা (৫ লক্ষ ৭৩ হাজার), ব্রাজিল (৩ লক্ষ ৯৫ হাজার) এবং মেক্সিকো (২ লক্ষ ১৫ হাজার)। আমেরিকা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশের তুলনায় ভারতে মৃত্যুর হার প্রথম থেকেই ছিল কম। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তেই দেশে বেড়েছে প্রাণহানি।

মস্কো থেকে বৃহস্পতিবার সকালে ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে দুটি বি ন। এই দুই বিমানে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর, ভেন্টিলেটরসহ বেশকিছু করোনা চিকিৎসা সরঞ্জাম ভারতকে দিয়েছে রাশিয়া।

এর আগে বুধবার ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন নরেন্দ্র মোদি।

বৃহস্পতিবার থেকেই ভারতে অক্সিজেন পাঠানো শুরু করবে আমেরিকা। এক সপ্তাহ ধরে সরবরাহ চলবে। ১০০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার, ১৫ মিলিয়ন এ৯৫ মাস্ক, ১ মিলিয়ন র‍্যাপিড টেস্ট কিট পাঠাবে বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়াও ভ্যাকসিন তৈরির কাঁচামাল পাঠানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা।

এর আগে গুজরাত, মধ্যপ্রদেশের মতো জেলায় শ্মশানের বাইরে দেহ নিয়ে সারি সারি অ্যাম্বুল্যান্স দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। তবে দিল্লিতে পরিস্থিতি এমন পৌঁছেছে যে, শ্মশানের বাইরে লাইনেও জায়গা পাচ্ছেন না অনেকে। বাধ্য হয়ে বাড়িতেই প্রিয়জনের মৃতদেহ রেখে দিতে হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :