ফাইজারের ভ্যাকসিন পেতে আগামী ১০ থেকে ১২ দিনের মতো লেগে যেতে পারে।

জয়‌বি‌ডিজয়‌বি‌ডি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  08:34 PM, 30 May 2021

ফাইজারের ভ্যাকসিন আজ বাংলাদেশে আসে‌নি। এটি পেতে আগামী ১০ থেকে ১২ দিনের মতো লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতর।

রোববার (৩০ মে) করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর আয়োজিত ভার্চুয়াল বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আজ কোভ্যাক্স থেকে ফাইজার বায়োএনটেকের টিকার প্রথম চালান আসার কথা ছিল। কিন্তু এখনও আমরা তার ফ্লাইট শিডিউল পাইনি। কোভ্যাক্স থেকে ফাইজারের ভ্যাকসিন আজ বাংলাদেশ পাচ্ছে না। কিছুটা দেরি হতে পারে। ফাইজারের টিকা আসতে অন্তত ১০ থেকে ১২ দিন সময় লেগে যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, প্রথম যে ফাইজারের ভ্যাকসিনের চালান আনা হচ্ছে তার সংখ্যা হলো এক লাখ ছয় হাজার। এই ভ্যাকসিন আসার পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, ভ্যাকসিনটি কীভাবে দেওয়া হবে, কাকে দেওয়া হবে।

রোবেদ আমিন আরও বলেন, ফাইজারের ভ্যাকসিনটি অত্যন্ত সংবেদনশীল, অত্যন্ত হিমায়িত অবস্থায় দিতে হয়, মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়া এটি রাখাও যায় না, দীর্ঘ সময় থাকবেও না। ফলে ভ্যাকসিনটি আমাদের কাছে আসার পরেই আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারবো—কখন-কাকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, দরিদ্র দেশগুলোর টিকাপ্রাপ্তি নিশ্চিতে গঠিত আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনের (গ্যাভি) কাছ থেকে ফাইজারের এ টিকা আসছে। প্রাণঘাতী ও সংক্রামক ব্যাধি থেকে দরিদ্র দেশগুলোর শিশুদের জীবনরক্ষায় টিকা প্রদানে ভূমিকা রাখা গ্যাভি বিশ্বের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ৯২টি দেশকে করোনাভাইরাসের টিকা সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে। দরিদ্র দেশগুলোর টিকা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে গঠন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স।

কোভ্যাক্সের পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনস গ্লোবাল অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ছাড়াও উদ্যোগটির সঙ্গে রয়েছে কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশন ও দাতব্য সংস্থা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)। এ উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে, ভ্যাকসিন মজুত করে না রেখে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সর্বোচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোতে তা বণ্টন করার জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারকে উৎসাহিত করা।

আপনার মতামত লিখুন :