পরকীয়ার জেরে স্ত্রী  ফাতেমা আক্তার কলি হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদকনিজস্ব প্রতিবেদক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  12:46 AM, 16 June 2022
পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর থানা এলাকার ভাড়া বাসায় অন্য নারীর সাথে পরকীয়ার জেরে স্ত্রী  ফাতেমা আক্তার কলি হত্যা মামলায় পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান জাবেদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৫ জুন) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শরীফুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
মিজানুর রহমান জাবেদ নোয়াখালীর সদর উপজেলার বিনোদপুরের বাসিন্দা ও মামলার সময় হালিশহর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মৃত ফাতেমা আক্তার কলি একই উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের বাসিন্দা। এর আগে মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুরে নিজবাড়ি থেকে জাবেদকে গ্রেফতার করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে পারিবারিকভাবে সুধারাম থানার বিনোদপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে এসআই মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে ফাতেমা আক্তার কলির বিয়ে হয়। নগরের হালিশহরের শান্তিবাগ এলাকায় ভাড়া বাসায় তারা থাকতেন। কিন্তু বিভিন্ন সময় কলিকে মারধর করতেন জাবেদ। এরই মধ্যে জাবেদ পাশের এক নারীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ সব বিষয়ে নিয়ে তাকে নিষেধ করলে কলির ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।
নিহত কলির স্বজনদের অভিযোগ, চলতি বছরের ২৫ মার্চ বিকেলের কোনো একসময় ফাতেমা আক্তার কলিকে মারধর করেন। এরপর হত্যা করে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে কলি আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবারের সদস্যদের মোবাইলে জানান তার স্বামী এসআই জাবেদ। মৃত্যুর পর কলির গলায় গোলাকার কালো দাগ এবং হাতে কাটা জখমের একাধিক চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আহসান উল্লাহ বাদী হয়ে এসআই মিজানুর রহমান জাবেদসহ ৫ জনকে আসামি করে হালিশহর থানায় মামলা দায়ের করেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) মো. ওয়াহিদ উল্লাহ সরকার বলেন, স্ত্রী হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মিজানুর রহমান জাবেদকে হালিশহর থানা আদালতে হাজির করেন। আদালত শুনানি শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।