পদ্মা সেতুতে বাইক নিষিদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদকনিজস্ব প্রতিবেদক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  11:17 PM, 26 June 2022

সব বাইকার ছেচড়া টিকটকার নয়, তবে অধিকাংশ বাইকার ছেচড়া, ছেচ্চর, ইতর, বখাইট্টা, আজাইরা, অহেতুক ফেইম সিকার লাইকি টিকটকার।
পদ্মা সেতুতে বাইক নিষিদ্ধ, ভালো সিদ্ধান্ত। সাথে আরো একটা সিদ্ধান্ত এই মুহুর্তে জরুরী, সেটা হচ্ছে টিকটক লাইকি নিষিদ্ধ।
টিকটক লাইকি নিষিদ্ধের পক্ষে যুক্তি হলো, টিকটক লাইকি শুধু বিনোদন হিসেবে নিলে এতোদিন এইসব থাকার যৌক্তিকতা ছিলো। কিন্তু এখন টিকটক লাইকি থাকার যুক্তি নাই যে কারনে সেটা খুব পরিষ্কার ভাবে বললে এমন দাঁড়ায় যে, লক্ষ করেছি একটি অনুসন্ধানী জার্নালিজম যেখানে ১৫-২০ মিনিটের সম্ভব নয়, সেখানে একজন টিকটকার মাত্র ১৫ সেকেন্ডে একটি অনুসন্ধানী নিউজ বিনোদন হিসেবে আপলোড করছে, যার আগা মাথা বুঝার চেয়ে আগে থেকেই বিগরে থাকা মানুষের মগজে অনেক টাউটারি ঢুকিয়ে দিয়ে সমস্যা তৈরি করছে প্রতিনিয়ত।
কাজেই বাংলাদেশে কোন অবস্থায় টিকটক, লাইকির মত এপস থাকতে পারে না।
শেষ কথা হচ্ছে পদ্মা সেতু বাংলাদেশের জন্য অন্যতম গর্বের স্থাপনা হলেও বৈশ্বিক র্যাংকিং দীর্ঘতম হিসেবে রয়েছে ১২২ নম্বরে। যদিও এটা ফ্যাক্টর নয়, ফ্যাক্টর হচ্ছে এর আগে সারাবিশ্বে লম্বায় রেকর্ড করা সেতু গুলো শীর্ষ ১০টার ৯টা এশিয়াতে, সেইসব দেশের সেতু গুলো উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরে এমন হয়নি যা পদ্মা সেতু উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরে বা আগে নির্মানের সময় হয়েছে।
কাজেই খুব সহজে স্বীকৃত বাঙ্গালী ইস দ্যা হাভাইত্তার জাত, দুনিয়ার অন্যতম ছেচরা জাতিদের মধ্যে একটা। সকল বিষয়ে তাদের অতিআগ্রহ, লেবু কচলা, শো অফ, ফেইম সিকিং সহ সকল কারনেই।
কাজেই সরকার সমর্থকদের মনে করে মন কলা খাওয়ার কোন কারন নেই পদ্মা সেতুর চ্যালেঞ্জে সরকার জিতে গেছে মানেই পদ্মা সেতুর সব শত্রু খতম হয়ে গেছে। পদ্মা সেতুর শত্রু ছিলো, শত্রু আছে, শত্রু থাকবে। সেজন্য আইন আইনই পদ্মা সেতুতে সেলফি ভিডিও যিনি করেই সসম্প্রচার করবে, তাকেই আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। পদ্মা সেতুতে যিনি হাটাহাটি করবে এমন এদের ধরে সেতুর টোল প্লাজার সামনে উল্টো করে একদিন ঝুলিয়ে রেখে তারপরে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
পদ্মা সেতুর স্থাপনা বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রে থাকার কারনে, পদ্মা সেতুতে যেকোন ছেচরামীর খবর আন্তর্জাতিক ভাবে সম্প্রচারিত হবে, আর এইসব ছেচরামী প্রচারের পরে জাতি হিসেবে বাঙ্গালের ইজ্জত কমবে বৈকি বাড়ার কোন সুযোগ নাই।