1. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক :
  2. [email protected] : rahad :
দৈনিক কোটি টাকার ভাগ পায় প্রভাবশালীরা :বিদ্যুৎ চুরি | JoyBD24
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ছাত্রলীগের উত্তর-দক্ষিণে শীর্ষ পদ পাওয়ার দৌড়ে একঝাঁক নতুন নেতৃত্ব কথা বললেই মামলা হচ্ছে : নোমান জন্ম‌নিবন্ধন, এনআইডি ও পাস‌পোর্টে হবে একই নম্বর পর্তুগালকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে দক্ষিণ কোরিয়া রাজশাহীতে বিএনপির গণসমাবেশের আগের দিনই গণমানুষের ঢল ঘানাকে হারানোর পরও নকআউটে উঠতে পারল না উরুগুয়ে জনসভায় খালেদা জিয়ার যাওয়ার চিন্তা অলীক ও উদ্ভট : তথ্যমন্ত্রী জাতির পিতাকে হত্যার পর স্বৈরশাসকেরা বেয়নেটের খোঁচায় মানুষের ভাগ্য লিখতে শুরু করে : প্রধানমন্ত্রী বিএনপি জঙ্গিদের মাঠে নামিয়েছে : ওবায়দুল কাদের চাকরির পরীক্ষা ঢাকায়, বাস বন্ধে আসতে পারছেন না উত্তরাঞ্চলের প্রার্থীরা

দৈনিক কোটি টাকার ভাগ পায় প্রভাবশালীরা :বিদ্যুৎ চুরি

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ জুলাই, ২০২২

রাজধানীর ফুটপাতে প্রায় সাড়ে তিন লাখ দোকানে জ্বলছে পাঁচ লাখেরও বেশি বাতি। যার বেশির ভাগই অবৈধ। এ ছাড়া রয়েছে কয়েক লাখ অবৈধ সংযোগ। যেখান থেকে প্রতিদিন কোটি টাকার ভাগ যাচ্ছে রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসন ও বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের পকেটে। ঘাটতি মেটাতে যখন টালমাটাল অবস্থা, তখনও বিদ্যুতের চুরি ঠেকাতে নেওয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণেই বন্ধ হচ্ছে না এসব অবৈধ সংযোগ।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউনহল বাজারের বাইরে ফুটপাথ দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে ফলের দোকান। বাতি প্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকার বিনিময়ে দেওয়া হয়েছে অবৈধ সংযোগ। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে তাই সূর্যের আলোতেও জ্বলছে বৈদ্যুতিক বাল্ব।দিনের বেলায় বাতি জ্বালিয়ে রাখার কারণ জানতে চাইলে ফুটপাতের এক ব্যবসায়ী বলেন, ফলের দোকান তো! লাইট দিলে ফলটা শাইনিং করে, ভালো দেখা যায়। গুলিস্তান গেলেই ফুটপাথ বা রাস্তার মাঝে দেখা মিলবে হাজারও দোকান। প্রতিটি দোকানেই রয়েছে দুই থেকে চারটি এলইডি বাতি। ক্রেতাদের ধোঁকা দিতেই যেন ঝলমলে সব আয়োজন।

টাউনহল-গুলিস্তানের মতো পুরো রাজধানীজুড়েই রয়েছে হকারদের দাপট। ঢাকা শহরের ফুটপাথ আর রাস্তা দখল করে গড়ে তোলা দোকানের সংখ্যা প্রায় তিন লাখ। যেখানে বৈদ্যুতিক বাতি জ্বলে প্রায় পাঁচ লাখ। যেখান থেকে মাসে অবৈধ লেনদেন ৩০ কোটি টাকার বেশি। সারাদেশে কয়েক লাখ অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে প্রতিদিন চুরি হচ্ছে শত শত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। বছরের পর বছর চুরির এমন মহোৎসব চলে আসলেও কুম্ভকর্ণের মতো ঘুমিয়ে আছে সুবিধাভোগীরা।

বিদ্যুৎ চুরি বা অপচয় বন্ধ না হলে সরকারের কোনো উদ্যোগই কাজে আসবে না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, অবৈধ সংযোগ মানে চুরি হচ্ছে। জ্বালানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস বা তেল চুরি হচ্ছে। শুধু লোডশেডিংয়ের দ্বারাই জ্বালানি সাশ্রয় করে সংকট মোকাবিলা করা যাবে-এ রকম একটা সমীকরণ করে যদি আমরা বসে থাকি, তাহলে আমরা এই সংকট থেকে বের হতে পারব না। সংকট মোকাবিলায় সবাইকে মিতব্যয়ী হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুতের চুরি বন্ধে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2012 joybd24
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Joybd24