০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পানি জমতে না দেওয়া নাগরিক দায়িত্ব : মেয়র তাপস।

ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে নিজস্ব স্থাপনা, বাড়ি, আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং পানির আধার বিনষ্ট করা
এলাকাবাসীর নাগরিক দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

গুগল নিউজে ফলো করুন আরটিভি অনলাইন
শনিবার (২৬ আগস্ট) বাসাবো কালিমন্দির সংলগ্ন
এলাকায় ডেঙ্গুর বিস্তাররোধে মশক নিধনে জনসম্পৃক্ততা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ পরবর্তী সাংবাদিকদের সঙ্গে
মতবিনিময়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মেয়র তাপস বলেন, সব তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে যেসব ওয়ার্ডে
১০ জনের বেশি ডেঙ্গু রোগী পেয়েছি, সেসব ওয়ার্ডকে আমরা ‘লাল চিহ্নিত’ করেছি।
লাল চিহ্নিত মানে বিপজ্জনক। সেখানে রোগীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
সে আশঙ্কা থেকেই আমরা লাল চিহ্নিত করেছি এবং এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ত করেছি।
বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদরাসা, বাড়ির মালিক, সব স্থাপনার মালিক, সব সামাজিক সংগঠন, রেড ক্রিসেন্ট, স্কাউটস সবাইকে সম্পৃক্ত করে এই ওয়ার্ডগুলোতে আমরা
দিনব্যাপী বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সকালে লার্ভিসাইডিং ও বিকেলে অ্যাডাল্টিসাইডিংসহ চিরুনি অভিযান পরিচালনা করব।

তিনি আরও বলেন, যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের এই কার্যক্রমে এগিয়ে এসেছে এবং অংশগ্রহণ করেছে আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।
নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মাধ্যমে আমাদের প্রতিদিনের যে কার্যক্রম সেটিও ব্যাপক।
এই কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি।
কিন্তু সেখানে আমরা কোনো সন্তুষ্টির ঢেকুর নিতে চাই না।

তাপস বলেন, এটা ভরা মৌসুম। এখনো বর্ষা শেষ হয়নি। গতকালও বৃষ্টি হয়েছে।
সুতরাং পানি কিন্তু কিছুক্ষণ পরপরই জমবে। যেহেতু ভাদ্র মাস ভরা মৌসুম সুতরাং মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম আমরা আরও বেগবান করেছি।
যেহেতু আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি সেহেতু এই সুযোগে আমরা যদি একদম নির্মূলের পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি, তাহলে সামনের দিনে আর বাড়তে পারবে না।

এ সময় মার্শাল অ্যাগ্রোভেট নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন,
আমরা কারো মাধ্যমে কীটনাশক আমদানি করি না।
২০১৯ সালের পর থেকে আমরা সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী উৎপাদনকারীর কাছ থেকে সরাসরি আমদানি করি।
সে প্রতিষ্ঠানও কিন্তু সরকার নির্ধারিত। সেখানে সব অনুমতি যেমন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অনুমতি,
কীটনাশক যারা নিয়ন্ত্রণ করেন তাদের অনুমতি নেওয়া রয়েছে এবং আমাদের কীটনাশক কমিটি আমাদের যে
কীটনাশক নির্ধারণ করে দেয় এর বাইরে আমরা কোনো কীটনাশক ব্যবহার করি না।
আমরা শুধু মিশ্রণটা উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে করে থাকি। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে যথাযথভাবে এবং আমাদের
নির্ধারিত মূল্যের চাইতে কম মূল্যে তারা কাজ পেয়েছে।
আমাদের সঙ্গে তাদের যে চুক্তি এখন পর্যন্ত আমরা সেটির কোনো ব্যত্যয় লক্ষ্য করিনি।

এ ছাড়াও মেয়র ব্যারিস্টার তাপস এদিন হাজারীবাগের
৫ নম্বর ওয়ার্ড এবং কদমতলীর ৫৩ ও ৬০ নম্বর ওয়ার্ডেও ডেঙ্গু রোগ বিস্তাররোধে মশক নিধনে জনসম্পৃক্ততা কার্যক্রমে অংশ নেন।

Tag :
About Author Information

ভারতে ৩শ’ রুপির গয়না ৬ কোটিতে বিক্রি করে মার্কিন নারীর সঙ্গে প্রতারণা।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পানি জমতে না দেওয়া নাগরিক দায়িত্ব : মেয়র তাপস।

Update Time : ০৫:৪৪:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৩

ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে নিজস্ব স্থাপনা, বাড়ি, আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং পানির আধার বিনষ্ট করা
এলাকাবাসীর নাগরিক দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

গুগল নিউজে ফলো করুন আরটিভি অনলাইন
শনিবার (২৬ আগস্ট) বাসাবো কালিমন্দির সংলগ্ন
এলাকায় ডেঙ্গুর বিস্তাররোধে মশক নিধনে জনসম্পৃক্ততা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ পরবর্তী সাংবাদিকদের সঙ্গে
মতবিনিময়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মেয়র তাপস বলেন, সব তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে যেসব ওয়ার্ডে
১০ জনের বেশি ডেঙ্গু রোগী পেয়েছি, সেসব ওয়ার্ডকে আমরা ‘লাল চিহ্নিত’ করেছি।
লাল চিহ্নিত মানে বিপজ্জনক। সেখানে রোগীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
সে আশঙ্কা থেকেই আমরা লাল চিহ্নিত করেছি এবং এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ত করেছি।
বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদরাসা, বাড়ির মালিক, সব স্থাপনার মালিক, সব সামাজিক সংগঠন, রেড ক্রিসেন্ট, স্কাউটস সবাইকে সম্পৃক্ত করে এই ওয়ার্ডগুলোতে আমরা
দিনব্যাপী বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সকালে লার্ভিসাইডিং ও বিকেলে অ্যাডাল্টিসাইডিংসহ চিরুনি অভিযান পরিচালনা করব।

তিনি আরও বলেন, যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের এই কার্যক্রমে এগিয়ে এসেছে এবং অংশগ্রহণ করেছে আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।
নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মাধ্যমে আমাদের প্রতিদিনের যে কার্যক্রম সেটিও ব্যাপক।
এই কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি।
কিন্তু সেখানে আমরা কোনো সন্তুষ্টির ঢেকুর নিতে চাই না।

তাপস বলেন, এটা ভরা মৌসুম। এখনো বর্ষা শেষ হয়নি। গতকালও বৃষ্টি হয়েছে।
সুতরাং পানি কিন্তু কিছুক্ষণ পরপরই জমবে। যেহেতু ভাদ্র মাস ভরা মৌসুম সুতরাং মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম আমরা আরও বেগবান করেছি।
যেহেতু আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি সেহেতু এই সুযোগে আমরা যদি একদম নির্মূলের পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি, তাহলে সামনের দিনে আর বাড়তে পারবে না।

এ সময় মার্শাল অ্যাগ্রোভেট নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন,
আমরা কারো মাধ্যমে কীটনাশক আমদানি করি না।
২০১৯ সালের পর থেকে আমরা সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী উৎপাদনকারীর কাছ থেকে সরাসরি আমদানি করি।
সে প্রতিষ্ঠানও কিন্তু সরকার নির্ধারিত। সেখানে সব অনুমতি যেমন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অনুমতি,
কীটনাশক যারা নিয়ন্ত্রণ করেন তাদের অনুমতি নেওয়া রয়েছে এবং আমাদের কীটনাশক কমিটি আমাদের যে
কীটনাশক নির্ধারণ করে দেয় এর বাইরে আমরা কোনো কীটনাশক ব্যবহার করি না।
আমরা শুধু মিশ্রণটা উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে করে থাকি। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে যথাযথভাবে এবং আমাদের
নির্ধারিত মূল্যের চাইতে কম মূল্যে তারা কাজ পেয়েছে।
আমাদের সঙ্গে তাদের যে চুক্তি এখন পর্যন্ত আমরা সেটির কোনো ব্যত্যয় লক্ষ্য করিনি।

এ ছাড়াও মেয়র ব্যারিস্টার তাপস এদিন হাজারীবাগের
৫ নম্বর ওয়ার্ড এবং কদমতলীর ৫৩ ও ৬০ নম্বর ওয়ার্ডেও ডেঙ্গু রোগ বিস্তাররোধে মশক নিধনে জনসম্পৃক্ততা কার্যক্রমে অংশ নেন।