ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন নিয়ে কার্টুনিস্ট কিশোর কথন।

জয়‌বি‌ডিজয়‌বি‌ডি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  06:48 PM, 05 March 2021

ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের মামলায় কার্টুনিষ্ট কিশোর জামিনে মুক্তি পেয়েছে। মুক্তি পেয়ে কিশোর কথা বলবে, দারুন সব অভিজ্ঞতার কথা বলবে।

ইতিমধ্যে আমাদের পরিচিতজন কারো কারো ফেসবুক টাইমলাই‌নে মাতম চলছে, কিশোরের অপরাধ নিয়ে…

শুরুতেই বলে নিচ্ছি, বাকস্বাধীনতা সংজ্ঞা, ব্যাখ্যা, বাংলাদেশে দুইটা পক্ষ চলমান। বাংলাদেশ পক্ষ পাকিস্তান পক্ষ।

২০২১ সালে কে কি নিয়ে কোন বিষয়ে কার সমালোচনা করবে না করবে, বিষয়গুলো একান্তই তার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু ঐসব সমালোচনা বাকস্বাধীনতা অধিকার নিয়ে আমাকে মার্জিন টানতে হয় বিশেষ করে বাংলাদেশ পক্ষের মুল স্তম্ভ স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু বিষয় গুলো নিয়ে।

বাংলাদেশে বাকস্বাধীনতা নাই কেউ বলতে পারবে না। বাংলাদেশে কেউ সমালোচনা করছে না, তাও কেউ বলতে পারবে না। বাংলাদেশে যেহেতু বাক স্বাধীনতা আছে, বাংলাদেশে যেহেতু সমালোচনাও আছে, কাজেই সমালোচনা চলুক, কিন্তু বাংলাদেশের স্তম্ভব গুলো নিয়ে সমালোচনা, ভুল তথ্য পরিবেশন, অহেতুক বিতর্ক তৈরি করার বাকস্বাধীনতা চলবে না চলতে দেওইয়া হবে না। এটাকে মোটেও বাকস্বাধীনতা বলার কোন উপায় নেই। এইসব কে বলা হয় কুৎসা রচনা, যা উপকৃত করে বাংলাদেশ বিরোধী পাকিস্তানী পক্ষটাকে। আর এমন বাকস্বাধীনতার অধিকার যারা চায়, তারা যদি আমার বাপ হয় সেও ক্ষমা পাওয়ার যোগ্য হবে না। কোথাকার কোন মুশতাক, কিশোরকে নি‌য়ে চিন্তা করার তো একদম টাইম নাই।

কথা হইলো, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি, স্বাধীনতার ভুল তথ্য উপস্থাপন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু নিয়ে কিঞ্চিৎ কটুক্তি মেনে নেওয়া হবে না।

আসেন কিশোর মুশতাকের বিষয়ে………

করোনা মহামারী চলছে। জঘন্য একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সারাবিশ্বে। এমন পরিস্থিতিতে ফেসবুক ইউটিউব সহ সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমই ঘোষনা দিয়ে করোনার নিয়ে মিথ্যা মিথ অপপ্রচার গুজব নিরুৎসাহী করে চলছে শুরু থেকেই। তার মধ্যে বাংলাদেশের কি নিজের কোন দায়িত্ব নেই ? কিশোর জবানবন্দীতে বলেছে সে তেমন কিছুই করেনি। করোনা নিয়ে কার্টুন বানাচ্ছিলো। প্রশ্ন করি কেন? কে বলেছে তাকে করোনা নিয়ে অপপ্রচার গুজব কটুক্তি মুলক কার্টুন বানাতেই হবে… এটা কেমন বাকস্বাধীনতা? যদিও কিশোরের অপরাধ শুধুই করোনার কার্টুনে সীমাবদ্ধ ছিলো না, বাংলাদেশের মুল স্তম্ভ গুলোকেও আক্রান্ত করেছিলো কিশোর। এখন কেউ যদি কিশোরের অপরাধকে জাষ্টিফাই করে ফ্রান্সের কার্টুন নিয়ে, তাহলে বলবো সে একটা রাজাকারের বাচ্চা। কারন ফ্রান্সের কার্টুন ছিলো অনুমান নির্ভর। সেই কার্টুনের গ্রহনযোগ্যতা তৈরি বা প্রমান যতোটা কষ্টকর, তার চেয়ে অনেক বেশী সহজতর বাংলাদেশে কিশোরের কার্টুনের ভুল গুলো প্রমান।

সেজন্য বললাম, কোন রাজাকার, রাজাকারের উপকার হয়, হালে পানি পায় এমন যেকোন বাকস্বাধীনতা হরনের পক্ষেই আমার অবস্থান।

আপনার মতামত লিখুন :