০৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গ্যাসের ব্যবহার কমাতে সম্মত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য রাষ্ট্রগুলো।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩৩:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২
  • 36

যেকোনো সময় ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে রাশিয়া। এ ‘ভয়ে’ গ্যাসের ব্যবহার কমাতে সম্মত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য রাষ্ট্রগুলো। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) ইইউর জ্বালানি মন্ত্রীদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়। অবশেষে আগামী আগস্ট থেকে মার্চ পর্যন্ত স্বেচ্ছায় গ্যাসের ব্যবহার ১৫ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্তে উপনীতি হন ইইউর সদস্যরা। অবশ্য গত সপ্তাহ থেকেই এ বিষয়ে আলোচনা চলছিল।

ইইউর প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্র চেক রিপাবলিকের জ্বালানি মন্ত্রী এক টুইট বার্তায় লেখেন, এটা অসম্ভব মিশন নয়।

ইইউ জানিয়েছে, এ চুক্তির লক্ষ্য আসন্ন শীতের আগে ইউরোপের দেশগুলোতে গ্যাস সঞ্চয় ও মজুত রাখা। সতর্ক করে সংস্থাটি বলেছে, গ্যাস সরবরাহকে অনবরত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া।

রুশ গ্যাসের সরবরাহ সঙ্কটময় পর্যায়ে পৌঁছলে সম্পাদিত স্বেচ্ছায় চুক্তি মেনে চলা ইইউর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়াবে। এটি মূলত রাজনৈতিক চুক্তি। এ অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা বাড়ানোর প্রচেষ্টা হিসেবে যা করা হয়েছে।

তবে ইইউ গ্যাস পাইপলাইনের সঙ্গে ইউরোপের কয়েকটি দেশ সংযুক্ত নয়। সেই তালিকায় রয়েছে আয়ারল্যান্ড, মাল্টা ও সাইপ্রাস। এ আদেশ তাদের জন্য প্রযোজ্য নয়। তবে এসময়ে গ্যাস সরবরাহের জন্য বিকল্প কোনো পথ খুঁজতে পারবে না তারা।

Tag :
About Author Information

ভারতে ৩শ’ রুপির গয়না ৬ কোটিতে বিক্রি করে মার্কিন নারীর সঙ্গে প্রতারণা।

গ্যাসের ব্যবহার কমাতে সম্মত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য রাষ্ট্রগুলো।

Update Time : ০৯:৩৩:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২

যেকোনো সময় ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে রাশিয়া। এ ‘ভয়ে’ গ্যাসের ব্যবহার কমাতে সম্মত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য রাষ্ট্রগুলো। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) ইইউর জ্বালানি মন্ত্রীদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়। অবশেষে আগামী আগস্ট থেকে মার্চ পর্যন্ত স্বেচ্ছায় গ্যাসের ব্যবহার ১৫ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্তে উপনীতি হন ইইউর সদস্যরা। অবশ্য গত সপ্তাহ থেকেই এ বিষয়ে আলোচনা চলছিল।

ইইউর প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্র চেক রিপাবলিকের জ্বালানি মন্ত্রী এক টুইট বার্তায় লেখেন, এটা অসম্ভব মিশন নয়।

ইইউ জানিয়েছে, এ চুক্তির লক্ষ্য আসন্ন শীতের আগে ইউরোপের দেশগুলোতে গ্যাস সঞ্চয় ও মজুত রাখা। সতর্ক করে সংস্থাটি বলেছে, গ্যাস সরবরাহকে অনবরত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া।

রুশ গ্যাসের সরবরাহ সঙ্কটময় পর্যায়ে পৌঁছলে সম্পাদিত স্বেচ্ছায় চুক্তি মেনে চলা ইইউর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়াবে। এটি মূলত রাজনৈতিক চুক্তি। এ অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা বাড়ানোর প্রচেষ্টা হিসেবে যা করা হয়েছে।

তবে ইইউ গ্যাস পাইপলাইনের সঙ্গে ইউরোপের কয়েকটি দেশ সংযুক্ত নয়। সেই তালিকায় রয়েছে আয়ারল্যান্ড, মাল্টা ও সাইপ্রাস। এ আদেশ তাদের জন্য প্রযোজ্য নয়। তবে এসময়ে গ্যাস সরবরাহের জন্য বিকল্প কোনো পথ খুঁজতে পারবে না তারা।