১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘গণবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক তফসিল প্রতিহত করা হবে’

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  • 71

চতুর্থ দফায় ৪৮ ঘণ্টার সড়ক, নৌ এবং রেলপথ অবরোধের শেষ দিন গতকাল সোমবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মিছিল, সমাবেশ ও অবরোধ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। ঢাকা মহানগরী উত্তর থেকে ৮ জন নেতাকর্মীসহ গত ২৪ ঘন্টায় দেশব্যাপী জামায়াতে ইসলামীর ৩৯ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার জনমতকে তোয়াক্কা না করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে চায়। বিরোধী দলকে জেলে রেখে নির্যাতন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা একদলীয় সরকার প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র মাত্র। নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ দাসে পরিণত হয়ে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তাই তারা তড়িঘড়ি করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই গণবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক তফসিল প্রতিহত করা হবে। তাই সময় থাকতে এখনই এ তফসিল বন্ধ করুন।

সরকারের পদত্যাগ, কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, বিএনপির মহাসমাবেশে সরকার দলীয় সন্ত্রাসী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হামলা, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মী ও আলেম-ওলামার মুক্তি এবং জামায়াত ঘোষিত ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশে পুলিশের বাধাদান ও নেতাকর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের প্রতিবাদে চতুর্থ দফায় অবরোধ কর্মসূচির শেষ দিন গতকাল অতিবাহিত হয়েছে।

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ : জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ কামাল হোসাইন বলেছেন, সরকার জনমতকে তোয়াক্কা না করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে চায়। বিরোধী দলকে জেলে রেখে নির্যাতন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা একদলীয় সরকার প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র মাত্র।

নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ দাসে পরিণত হয়ে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তাই তারা তড়িঘড়ি করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই গণবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক তফসিল প্রতিহত করা হবে। তাই সময় থাকতে এখনই এ তফসিল বন্ধ করুন। অন্যথায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে এজন্য চরম মূল্য দিতে হবে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি চলছে চলবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন বন্ধ হবে না। জেল-জুলুম, হামলা-মামলা ও নির্যাতন করে আমাদেরকে স্তব্ধ করা যাবে না।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক (রায়েরবাগ বাস স্ট্যান্ড) অবরোধ কর্মসূচিতে নেতৃত্বদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগরী মজলিসে শূরার সদস্য শাহজাহান খান, মাওলানা আমিরুল ইসলাম, মাওলানা বাইজিদ হাসান, জামায়াত নেতা মাহফুজুর রহমান ও ছাত্রনেতা দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

কামাল হোসাইন বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার জনমতকে তোয়াক্কা না করে দেশে একনায়কতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে চায়। মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও বিরোধী রাজনৈতিক দল ও মতকে দমন করে স্বৈরাচারী কায়দায় ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়। তারা জনগণকে এতটাই ভয় পায় যে, একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন দেওয়ার সাহস পায় না। তারা বাংলাদেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ক্ষমতায় থাকার জন্য অন্যায়ভাবে বাতিল করেছে। বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দলীয়ভাবে ব্যবহার করছে। পুলিশ প্রশাসনকে নগ্নভাবে জনগণের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে। মানুষ আজ তার ঘরেও নিরাপদ নয়। রাতে ঘুমন্ত মানুষকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে দলীয় পুলিশ। রাস্তা-ঘাট, বাড়িঘর কোথাও আজ মানুষের নিরাপত্তা নেই। সারাদেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে এই ফ্যাসিবাদী সরকার। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য একটি নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। তাই জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ে আমাদের এই অবরোধ চলছে এবং চলবে।

মতিঝিল এলাকায় অবরোধ: রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় সড়ক অবরোধ করে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াত। আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দের মুক্তি, অবৈধ সরকারের পদত্যাগ ও কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর চতুর্থ দফা অবরোধের ২য় দিনে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতাকর্মীরা।

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ড. মু. আবদুল মান্নান নেতৃত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শূরা সদস্য আবু আম্মার, নুর উদ্দিন এবং ইমাম উদ্দিনসহ জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। ড. মু. আবদুল মান্নান বলেন, আজ গণতন্ত্রবিহীন বাংলাদেশকে উদ্ধারের জন্য আমাদের এই অবরোধ চলছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিরুদ্ধে আমাদের এই অবরোধ। এই অবরোধ দেশের মেহনতি মানুষের জন্য। এই অবরোধ বাংলাদেশকে বাঁচানোর জন্য। তাই আসুন সকলে মিলে এই স্বৈরাচারের পতন নিশ্চিত করি।

খিলগাঁও সড়ক অবরোধ : রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় রামপুরা ডেমরা সড়ক অবরোধ করে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতাকর্মীরা। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য আবদুস সালাম এর নেতৃত্বে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শূরা সদস্য ও খিলগাঁও জোনের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আমিন, মহানগরী মজলিশে শূরা সদস্য মোঃ শাহজাহান, আসিফ আদনান, মাওলানা মাহমুদুর রহমান, ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী পূর্ব শাখার এইচআরডি সম্পাদক তাজুল ইসলাম ফয়সাল, খিলগাঁও থানা সভাপতি নাঈমুল ইসলাম সহ জামায়াত ও শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

শ্যামপুরে সড়ক অবরোধ : ধোলাইপাড় শ্যামপুর সড়কে অবরোধ করে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতাকর্মীরা। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শূরা সদস্য মো. মহিউদ্দিন, হেলাল উদ্দিন, ছাত্রনেতা হেলালসহ জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

হাজারীবাগে জামায়াতের অবরোধ : হাজারীবাগে সড়ক অবরোধ করে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতাকর্মীরা। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক নুর নবী মানিক এর নেতৃত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শূরা সদস্য শহিদুল ইসলাম সোহেল, মুজিবুর রহমান খান, শ্রমিক নেতা সাইফুল ইসলামসহ জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সদরঘাট এলাকায় জামায়াতের অবরোধ : রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় অবরোধ করে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতাকর্মীরা। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য কামরুল আহসান হাসানের নেতৃত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শূরা সদস্য সহ অবরোধে অংশগ্রহণ করে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সূত্রাপুর-ওয়ারী-গেন্ডারিয়ার থানা আমীর, সেক্রেটারি, থানা জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

ঢাকা মহানগরী উত্তরের ৭ স্পটে অবরোধ: জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারি সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান বলেছেন, সরকারের অবৈধ ক্ষমতালিপ্সা ও একগুঁয়েমী দেশকে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তারা বিরোধী দল বাদ দিয়ে নীলনক্সার নির্বাচনের মাধ্যমে দেশকে বাকশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। কিন্তু জনগণ তাদেরকে সে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করতে দেবে না। তিনি একতরফা তফসিল ঘোষণা থেকে বিরত থাকতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবান জানান। অন্যথায় সৃষ্ট পরিস্থিতির দায় কমিশনকেই নিতে হবে।

রাজধানীতে সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচনকালীন কেয়ারটেকার সরকার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ জাতীয় নেতাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত দেশব্যাপী টানা ৪৮ ঘন্টার অবরোধ কর্মসূচির অংশ হিসাবে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের মিরপুর অঞ্চল আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী পথ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিক্ষোভ মিছিলটি মিরপুর-২ মসজিদ কমপ্লেক্স থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে চিড়িয়াখানা রোডে এসে পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়। পথ সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরা সদস্য মোঃ নকীব, রিমন তমাল, জামাল উদ্দিন, ছাত্রনেতা ইমরান, আসাদ, ফাহাদ সহ মিরপুর থানার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মাহফুজুর রহমান বলেন, সরকারের অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব দেশে এক সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। সরকারের সীমাহীন কূটনৈতিক ব্যর্থতা দেশকে আন্তর্জাতিকভাবে বন্ধুহীন রাষ্ট্রে পরিণত করছে। তারা বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র, উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও দাতা সংস্থার কোন কথায় আমলে নিচ্ছে না বরং তাদের অবৈধ রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ দেশে এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। তারা পরিকল্পিতভাবে দেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংস করে দিয়ে দেশকে প্রকারান্তরে মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। তাই দেশ ও জাতিকে এই অপশক্তির হাত থেকে বাঁচাতে হলে দলমত নির্বিশেষে সকলকে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণপ্রতিরোধকে আরো শানিত করতে হবে। তিনি সময় থাকতে শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে অবিলম্বে সরকারকে পদত্যাগ ও কেয়ারটেকার সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহবান জানান। অন্যথায় ফ্যাসীবাদী সরকারকে গণরোষে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হবে।

তিনি বলেন, সরকার চলমান গণআন্দোলনকে দমন করার জন্য পুলিশ বাহিনী ও দলীয় সন্ত্রাসীদের জনগণের ওপর লেলিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস করছে। তারা জনতার শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালিয়ে গণহারে গ্রেফতার করে নির্যাতন চালাচ্ছে। সরকার দেশকে মেধা ও নেতৃত্বশূণ্য করার জন্যই পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান সহ বরেণ্য জাতীয় নেতাদের অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ করে গোটা দেশকেই অঘোষিত কারাগারে পরিণত করেছে। কিন্তু এসব করে স্বৈরাচারি ও ফ্যাসীবাদী শক্তির শেষ রক্ষা হবে না। তিনি অবিলম্বে আমীর জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান ও ঢাকা মহানগরী উত্তর আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সহ আটক সকল নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। অন্যথায় রাজপথের দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণই তাদেরকে মুক্ত করে ছাড়বে-ইনশাআল্লাহ।

মিরপুর ১৩ নং এলাকায় জামায়াতের অবরোধ: জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের কাফরুল অঞ্চলের উদ্যোগে সকাল ৭ টায় কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দীন মানিকের নেতৃত্বে রাজপথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে জামায়াতের কর্মীরা। কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য টুটুল, জোন টিমের সদস্য আলাউদ্দিন মোল্লা, ইসলামী ছাত্রশিবিরের মহানগর পশ্চিমের সেক্রেটারি সালাউদ্দিন মাহমুদ, শ্রমিক নেতা মিজানুর রহমান, মহানগর উত্তরের শুরা সদস্য আব্দুল মতিন খান, অধ্যাপক আনোয়ারুল করিম, আহসান হাবীব, আতিক হাসান ও মুসআব মুহাইমিন, আশিক, আলী হাসান ও আশিকুর রহমান প্রমুখ।

ফার্মগেটে জামায়াতের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ: ঢাকা মহানগরী উত্তরের হাতিরঝিল-তেজগাঁও অঞ্চলের উদ্যোগে সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে জামায়াতের নেতাকর্মীরা। ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকারের নেতৃত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরা সদস্য আমিনুল ইসলাম, নোমান আহমেদি, ছাত্রশিবিরে সাবেক কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক কলিম উল্লাহ ও ছাত্রনেতা নাজিমুদ্দিন প্রমুখ।

মিরপুর ১১-তে অবরোধের সমর্থনে মিছিল: সকালে জামায়াতে ইসলামী, ঢাকা মহানগরী উত্তরের পল্লবী অঞ্চলের জামায়াত কর্মীরা মিরপুর ১১-তে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত অবরোধে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরা সদস্য সাইফুল কাদের, আবু হানিফ, জামায়াত নেতা জোবায়ের হোসাইন রাজন, মোশাররফ হোসেন, যুবনেতা মো: হাসানুল বান্না চপল, ছাত্র নেতা মো: তাইয়ান ও আব্দুল কাদেরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

রাজধানীর উত্তরায় অবরোধ: অবরোধ কর্মসূচীর ২য় দিনে কর্মসূচী পালন করে জামায়াতে ইসলামী উত্তরা থানা। এতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরা সদস্য এম এ রহমান । উপস্থিত ছিলেন উত্তরা ও তুরাগের আমির, নায়েবে আমীর ও সেক্রেটারিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। আজ সকালে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ডাকা অবরোধ পালিত হয়। অবরোধ শেষে সংক্ষিপ্ত এক সমাবেশে নেতৃবৃন্দ দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণ অবরোধ পালনের জন্য আহ্বান জানান।

মোহাম্মদপুর এলাকায় অবরোধ: মোহাম্মদপুর পশ্চিম থানা অফিস সম্পাদক রবিউল ইসলাম রুবেলের নেতৃত্বে মোহাম্মদপুর এলাকায় রাজপথ অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন থানা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, মারুফ বিল্লাহ, শাহাবউদ্দিন মিজান, হাফিজুর রহমান শিকদার, আনোয়ার হোসেন, ইউনুস মিয়া ও যুব নেতা হাফিজুর রহমান সুমন প্রমুখ।

রামপুরা-বাড্ডা অঞ্চল অবরোধ: রামপুরা দক্ষিণ এলাকায় শান্তিপূর্ণ সড়ক অবরোধ কর্মসূচী পালন করা হয়। কর্মসূচি বাস্তবায়নে সার্বক্ষণিক তদারকি করেন থানা আমীর ও নায়েবে আমীর এবং কর্মসূচি পালনে নেতৃত্ব দেনন কর্মপরিষদের সিনিয়র সদস্য দলিল উদ্দিন ও জালাল রহমান।

ঢাকা জেলা দক্ষিণ: জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা জেলা দক্ষিণের আমীর মাওলানা দেলোয়ার বলেছেন, সরকার একতরফা নির্বাচন করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কুক্ষিগত করার দিবাস্বপ্ন দেখছে। কিন্তু বীর জনতা সে ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে এসেছে। সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত জনতার এই অবরোধ অব্যাহত থাকবে। তিনি সরকারকে শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে তামাশা ও ভাঁওতাবাজীর নির্বাচনের ষড়যন্ত্র বন্ধ করার আহ্বান জানান। অন্যথায় একতরফা তফসিল ঘোষণার ষড়যন্ত্র জনগণ জীবন দিয়ে হলেও রুখে দেবে-ইনশাআল্লাহ।

জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা দক্ষিণ আয়োজিত এক বিক্ষোভ পরবর্তী পথ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিক্ষোভ মিছিলটি কেরানীগঞ্জ উপজেলায় ঢাকা-নবাবগঞ্জ রোড থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়। পথ সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আবদুর রহিম, জেলা শূরা সদস্য ডা : এমাদুল ইসলামসহ স্থানীয় দায়িত্বশীলগণ।

মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন বলেন, সরকার অবাধ গণতন্ত্রের রক্ষাকবজ নির্বাচনকালীন কেয়ারটেকার সরকার পদ্ধতিকে আদালতের দোহাই দিয়ে বাতিল করা হয়েছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনকে ‘দলদাস’ কমিশনে পরিণত করা হয়েছে। ফলে দেশ একটি স্বৈরতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। জনগণকে তাদের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাই দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এই জুলুমবাজ ও অগণতান্ত্রিক সরকারের পতনের কোন বিকল্প নেই। তিনি টালবাহানা পরিহার করে অবিলম্বে সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ ও কেয়ারটেকার সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান জানান। অন্যথায় এজন্য সরকারকে চড়া মূল্য দিতে হবে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উদ্যোগে আরও একটি মিছিল চুনকুটিয়া রোড প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য জনাব জনাব এ আর মন্ডল ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আমীর মোহাম্মাদ ইলিয়াস প্রমুখ।

নারায়ণগঞ্জ মহানগরী: সোমবার শহরে রেলপথ অবরোধ করে জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখা। অবরোধ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন মহানগরীর কর্মপরিষদের অন্যতম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন। উপস্থিত ছিলেন, আবু তাওহীদ, মহানগরী ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল ইসলাম রনি, খলিলুর রহমান টিটু, আব্দুর রহিম, শফিকুল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।

সাভার: ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে অবরোধ করেছেন জামায়াতে ইসলামী সাভার পৌরসভা। ঢাকা জেলা উত্তর জামায়াতের মজলিসে শূরার সদস্য ও সাভার পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত আমীর মুহাম্মদ আবদুল কাদের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি পালন হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সানোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল ও নেতা-কর্মীরা।

রাজশাহী

রাজশাহী ব্যুরো : চতুর্থ পর্যায়ের টানা ৪৮ ঘন্টা অবরোধ রাজশাহীতে সর্বাত্বক পালিত হয়েছে। অবরোধের সমর্থনে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে রাজশাহী মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মিছিলসহ পিকেটিং করা হয়। এসময় রাজশাহী থেকে দুরপাল্লার যানবাহন চলাচল করেনি। এছাড়া অবরোধ কে কেন্দ্র করে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

চতুর্থ পর্যায়ের ৪৮ ঘন্টা অবরোধের ২য় দিনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর পক্ষ থেকে গতকাল সোমবার সকাল ৭ টায় নগরীর নওদাপাড়া এলাকায় মিছিল ও পিকেটিং করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর সেক্রেটারী ইমাজ উদ্দিনসহ মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ইমাজ উদ্দিন মন্ডল বলেন, স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকার আবারো ২০১৪ ও ২০১৮ সালের আদলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাঁয়তারা করছে। তিনি বলেন এ দেশের জনগন সরকারের পতন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছেড়ে যাবে না।

কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা : কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার উদ্যোগে কিশোরগঞ্জ -নীলগওমঁ সড়কে অবরোধের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় এবং রাস্তার মাঝে বসে রাস্তা অবরোধ করা হয়। উপজেলা নায়েবে আমীর মোঃ নূর উদ্দিনের নেতৃত্বে রাস্তায় মিছিলের শেষে, মোড়ে রাস্তায় বসে সমাবেশ করা হয়। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা উত্তর ছাত্রশিবিরের সভাপতি, মাহির ফয়সাল,দপ্তর সম্পাদক নিয়ামত উল্লাহ, মাইজখাপন ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি তমিজ উদ্দিন, সহ সভাপতি ফাইজুদ্দীন টুটুল, সেক্রেটারি মাহবুব এলাহী, রশিদাবাদ ইউপিঃ সভাপতি মোঃ আল আমিন, লতিফাবাদ ইউপিঃ সভাপতি আঃ মালেক রংগু, মহিনন্দ ইউনিয়ন সেক্রেটারি আবুল বাশার, সহকারী সেক্রেটারি তৌহিদ উল্লাহ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

হোসেনপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে সোমবার সকালে হোসেনপুর-নান্দাইল রোডে সড়কপথ অবরোধ ও পিকেটিং করা হয়েছে।

করিমগঞ্জ উপজেলায় অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়। উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন করিমগঞ্জ উপজেলার সংগ্রামি আমির মাওলানা আবুল কাশেম সাহেব এবং উপজেলা সেক্রেটারি নাজিম উদ্দীনসহ উপজেলার কর্মী সমর্থকবৃন্দ।

কুমিল্লা

কুমিল্লা অফিস : অবৈধ ও ফ্যাসিবাদী সরকারের পদত্যাগ, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে সড়কপথ, নৌপথ এবং রেলপথ অবরোধের ২য় দিনে বিভিন্ন স্থানে সড়ক পথ অবরোধ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরী শাখা।সোমবার নগরীর অশোকতলা রেলগেট এলাকায় অবরোধের সমর্থনে মিছিল ও পিকেপিং করে নেতাকর্মীরা।

এছাড়া জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা,লাকসাম,চান্দিনা মুরাদনগর উপজেলায় অবরোধের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল পিকেটিং করে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায় নেতৃবৃন্দ।

সিলেট

সিলেট ব্যুরো : গতকাল সোমবার জামায়াত কেন্দ্র আহূত অবরোধের শেষ দিনে নগরীর সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের শিবগঞ্জ এলাকায় সিলেট মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে সড়ক অবরোধ ও মিছিল পূর্ব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অবরোধ ও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট মহানগরী সভাপতি সিদ্দিক আহমদ প্রমুখ। এছাড়াও গতকাল দিনভর সিলেট নগরীর সকল গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সিলেট মহানগরীর সকল সাংগঠনিক থানা জামায়াতের উদ্যোগে সড়ক অবরোধ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পৃথক অবরোধ ও মিছিল পরবর্তী সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ৪টি ধাপে সর্বাত্মক অবরোধের পর ৪র্থ ধাপের ২য় দিন সর্বাত্মক অবরোধ পালনের মাধ্যমে দেশবাসী ফ্যাসিস্ট সরকারকে প্রত্যাখ্যান করেছে। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার এই আন্দোলন বিজয় না হওয়া পর্যন্ত চলছে চলবে। অবিলম্বে নিরপেক্ষ কেয়ারটেকার সরকার পুনর্বহাল, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমনাসহ কারান্তরীণ সকল রাজবন্দীদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

দিনাজপুর

অবৈধ ও ফ্যাসিবাদী সরকারের পদত্যাগ, কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠা ও আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে সড়কপথ, নৌপথ এবং রেলপথে জামায়াতের ডাকা টানা ৪৮ ঘণ্টা অবরোধের ২য় দিনে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দিনাজপুর শহর, বিরল উপজেলা ও বীরগঞ্জ উপজেলা শাখা।

টাংগাইল

টাংগাইল সংবাদদাতা : গতকাল সোমবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অবরোধের সমর্থনে টাংগাইলে সড়ক অবরোধ, মিছিল ও সমাবেশ করে টাংগাইল শহর ও সদর উপজেলা জামায়াত। জামায়াতের নেতাকর্মীরা টাংগাইল শহরের রেজিস্ট্রিপাড়া শাহীন কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করে পরে মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি পালন করেন তারা। কেয়ারটেকার সরকার পুনর্বহাল, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ বিরোধীদলীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে ইনশাআল্লাহ। পরবর্তী যেকোনো আন্দোলন ও কর্মসূচিতে সকলের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণের আহবান জানান নেতৃবৃন্দ।

বেলকুচি

বেলকুচি সংবাদদাতা : জামায়াতে ইসলামী,বেলকুচি উপজেলা’র পক্ষ থেকে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি-মুকুন্দগাঁতী হয়ে চন্দনগাঁতী বাজার পর্যন্ত সড়ক অবরোধ কর্মসূচী পালন করেছে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা। এ সময়,অবরোধ কর্মসূচী’র সমর্থনে রাস্তায় ব্যাপক পিকেটিং ও বিক্ষোভ প্রদর্শণ করা হয় । পরে, একটি বিক্ষোভ মিছিল মূল সড়ক প্রদক্ষিণ করে বেলকুচি-মুকুন্দগাঁতী হয়ে চন্দনগাঁতী বাজারে শেষ হয়।

সোমবার, সকালে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বেলকুচি উপজেলা সেক্রেটারি আরিফুল ইসলাম সোহেলের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াত ও শিবিরের নেতৃবৃন্দ।

গাজীপুর

গাজীপুর মহানগর সংবাদদাতা : দেশব্যাপী ৪৮ ঘণ্টার সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচির ২য় দিনে গতকাল টংগী, বাসন, পুবাইল, কাশিমপুরে এবং জয়দেবপুরে অবরোধের সমর্থনে মিছিল এবং পিকেটিং কর্মসূচি পালন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাজীপুর মহানগরী শাখা। অবরোধ কর্মসূচি পালনকালে নেতৃবৃন্দ বলেন সরকার আবারো ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের মতো আরেকটি সাজানো নির্বাচনের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। দেশের জনগন কোনভাবেই এমন তামাশার নির্বাচন মেনে নেবে না।

টংগী অঞ্চল : গাজীপুর মহানগর জামায়াতের মজলিসে শুরার সদস্য আবু তাকির নেতৃত্বে সকালে টংগী চেরাগ আলীতে অবরোধের সমর্থনে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

বাসন অঞ্চল : সকালে নগরীর ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের তেলিপাড়ায় গাজীপুর মহানগরীর বাসন অঞ্চলে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় । মহানগর শুরা সদস্য মো: রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন কাউলতিয়া থানা নায়েবে আমীর মো. তারিকুজ্জামান, মো. নূরুজ্জামান প্রমুখ।

পুবাইল : গাজীপুর মহানগরীর টংগী-নরসিংদী সড়কের মাজুখান বাজারে সকালে অবরোধের ২য় দিনে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে মহানগর শূরা সদস্য মো. আশরাফ আলী কাজল, মো. আশরাফুল আলম রাজু, মো. এবিএম সাইফুল্লাহ, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কাশিমপুর অঞ্চলঃ সকালে নগরীর চন্দ্রা নবী নগর রোডে কাশিমপুর অঞ্চলে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মহসনগর শুরা সদস্য মো: আক্তারুল ইসলাম, মো. ফরহাদ হোসেন, আব্দুল আহাদসহ নেতৃবৃন্দ।

মেট্রো অঞ্চল : এছাড়া নগরের জয়দেবপুর অঞ্চলের উদ্যোগে রেলপথে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য ইবনে আবিদের নেতৃত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন মো: মাসুম বিল্লাহ, মো: নাজমুল হাসানসহ স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা।

গাবতলী

গাবতলী (বগুড়া) সংবাদদাতা : চতুর্থদফা অবরোধের সমর্থনে দ্বিতীয় দিন গতকাল সোমবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাবতলী উপজেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলার পোষ্ট অফিস গেট রাস্তা থেকে শুরু হয়ে প্রধান সড়ক প্রদিক্ষন শেষে রেলগেটে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন গাবতলী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা আলহাজ¦ মাওলানা আব্দুল মজিদ। এসময় উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের জামায়াতের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মাদারীপুর

মাদারীপুর জেলার উদ্যোগে গতকাল সকালে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ ও অবরোধের মাধ্যমে মাদারীপুর – শরীয়তপুর মহাসড়কে অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান খান এর নেতৃত্বে এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। অবরোধের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন দিয়ে আওয়ামীলীগ সরকারের পদত্যাগের মাধ্যমে অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান। অন্যথায় পদত্যাগ করার আগ পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। উপস্থিত সবাইকে সকল প্রকার আন্দোলনে অংশ গ্রহন করে আন্দোলনের কর্মসূচি যথাযথ বাস্তবায়নের আহবান জানান।

সৈয়দপুর

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা : অবরোধ কর্মসূচীর সমর্থনে সৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়কে পিকেটিং করেছে জামায়াতে ইসলামী। চতুর্থ দফার দ্বিতীয় দিন গতকাল সোমবার সকালে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের খিয়ারজুম্মা বাজারে এই কর্মসূচী পালন করে। এসময় উপজেলা জামায়াত সেখানে বিক্ষোভ মিছিলও করেছে।

এতে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের সৈয়দপুর উপজেলা আমীর হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিম। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সেক্রেটারি আলহাজ্ব মাজহারুল ইসলাম, সহ সেক্রেটারি মাষ্টার খায়রুল আলম, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য খায়রাত হোসেন বসুনিয়া, নেতৃবৃন্দসহ উপজেলা ও পৌর পর্যায়ের নেতা কর্মীরাও অংশগ্রহণ করে।

চট্টগ্রাম

চতুর্থ দফায় অবরোধের দ্বিতীয় দিনে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর শান্তিপূর্ণ অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

নগরীর হালিশহর, বাকলিয়া, পাহাড়তলী, পাঁচলাইশ ও চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে নগর, থানা ও ওয়ার্ডে নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। এসময় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে পিকেটিং ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই নিকটবর্তী হচ্ছে সরকার ততই বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর তাদের জুলুম-নির্যাতন বাড়িয়ে দিচ্ছে। দেশব্যাপী বিরোধী মতের লোকজনকে গণহারে গ্রেফতার ও হয়রানি অব্যাহত রয়েছে।

নগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ সকল জাতীয় নেতার নি:শর্ত মুক্তি দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

বগুড়া

বগুড়া অফিস: বিরোধী দলের ডাকা ৪র্থ দফায় দেশব্যাপী ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের ২য় দিনে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বগুড়া-রংপুর মহাসড়ক এবং শহরের ২য় বাইপাস সড়কের ৩টি পয়েন্ট অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। সোমবার ভোর থেকেই জামায়াত-শিবিরের বিপুল সংখ্য নেতাকর্মী বগুড়া-রংপুর মহাসড়কের ছিলিমপুর শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশে, ২য় বাইপাসের নিশ্চিন্তপুর এবং বগুড়া-রংপুর মহাসড়কের বারোপুর মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করেনি। পুলিশ পাহারায় কিছু পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার হলেও বাসের দেখা মিলেনি। অবরোধকারীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিতে প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতা ছিল।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

‘গণবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক তফসিল প্রতিহত করা হবে’

Update Time : ১১:১০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩

চতুর্থ দফায় ৪৮ ঘণ্টার সড়ক, নৌ এবং রেলপথ অবরোধের শেষ দিন গতকাল সোমবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মিছিল, সমাবেশ ও অবরোধ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। ঢাকা মহানগরী উত্তর থেকে ৮ জন নেতাকর্মীসহ গত ২৪ ঘন্টায় দেশব্যাপী জামায়াতে ইসলামীর ৩৯ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার জনমতকে তোয়াক্কা না করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে চায়। বিরোধী দলকে জেলে রেখে নির্যাতন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা একদলীয় সরকার প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র মাত্র। নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ দাসে পরিণত হয়ে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তাই তারা তড়িঘড়ি করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই গণবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক তফসিল প্রতিহত করা হবে। তাই সময় থাকতে এখনই এ তফসিল বন্ধ করুন।

সরকারের পদত্যাগ, কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, বিএনপির মহাসমাবেশে সরকার দলীয় সন্ত্রাসী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হামলা, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মী ও আলেম-ওলামার মুক্তি এবং জামায়াত ঘোষিত ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশে পুলিশের বাধাদান ও নেতাকর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের প্রতিবাদে চতুর্থ দফায় অবরোধ কর্মসূচির শেষ দিন গতকাল অতিবাহিত হয়েছে।

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ : জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ কামাল হোসাইন বলেছেন, সরকার জনমতকে তোয়াক্কা না করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে চায়। বিরোধী দলকে জেলে রেখে নির্যাতন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা একদলীয় সরকার প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র মাত্র।

নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ দাসে পরিণত হয়ে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তাই তারা তড়িঘড়ি করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই গণবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক তফসিল প্রতিহত করা হবে। তাই সময় থাকতে এখনই এ তফসিল বন্ধ করুন। অন্যথায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে এজন্য চরম মূল্য দিতে হবে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি চলছে চলবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন বন্ধ হবে না। জেল-জুলুম, হামলা-মামলা ও নির্যাতন করে আমাদেরকে স্তব্ধ করা যাবে না।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক (রায়েরবাগ বাস স্ট্যান্ড) অবরোধ কর্মসূচিতে নেতৃত্বদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগরী মজলিসে শূরার সদস্য শাহজাহান খান, মাওলানা আমিরুল ইসলাম, মাওলানা বাইজিদ হাসান, জামায়াত নেতা মাহফুজুর রহমান ও ছাত্রনেতা দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

কামাল হোসাইন বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার জনমতকে তোয়াক্কা না করে দেশে একনায়কতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে চায়। মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও বিরোধী রাজনৈতিক দল ও মতকে দমন করে স্বৈরাচারী কায়দায় ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়। তারা জনগণকে এতটাই ভয় পায় যে, একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন দেওয়ার সাহস পায় না। তারা বাংলাদেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ক্ষমতায় থাকার জন্য অন্যায়ভাবে বাতিল করেছে। বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দলীয়ভাবে ব্যবহার করছে। পুলিশ প্রশাসনকে নগ্নভাবে জনগণের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে। মানুষ আজ তার ঘরেও নিরাপদ নয়। রাতে ঘুমন্ত মানুষকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে দলীয় পুলিশ। রাস্তা-ঘাট, বাড়িঘর কোথাও আজ মানুষের নিরাপত্তা নেই। সারাদেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে এই ফ্যাসিবাদী সরকার। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য একটি নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। তাই জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ে আমাদের এই অবরোধ চলছে এবং চলবে।

মতিঝিল এলাকায় অবরোধ: রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় সড়ক অবরোধ করে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াত। আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দের মুক্তি, অবৈধ সরকারের পদত্যাগ ও কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর চতুর্থ দফা অবরোধের ২য় দিনে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতাকর্মীরা।

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ড. মু. আবদুল মান্নান নেতৃত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শূরা সদস্য আবু আম্মার, নুর উদ্দিন এবং ইমাম উদ্দিনসহ জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। ড. মু. আবদুল মান্নান বলেন, আজ গণতন্ত্রবিহীন বাংলাদেশকে উদ্ধারের জন্য আমাদের এই অবরোধ চলছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিরুদ্ধে আমাদের এই অবরোধ। এই অবরোধ দেশের মেহনতি মানুষের জন্য। এই অবরোধ বাংলাদেশকে বাঁচানোর জন্য। তাই আসুন সকলে মিলে এই স্বৈরাচারের পতন নিশ্চিত করি।

খিলগাঁও সড়ক অবরোধ : রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় রামপুরা ডেমরা সড়ক অবরোধ করে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতাকর্মীরা। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য আবদুস সালাম এর নেতৃত্বে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শূরা সদস্য ও খিলগাঁও জোনের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আমিন, মহানগরী মজলিশে শূরা সদস্য মোঃ শাহজাহান, আসিফ আদনান, মাওলানা মাহমুদুর রহমান, ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী পূর্ব শাখার এইচআরডি সম্পাদক তাজুল ইসলাম ফয়সাল, খিলগাঁও থানা সভাপতি নাঈমুল ইসলাম সহ জামায়াত ও শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

শ্যামপুরে সড়ক অবরোধ : ধোলাইপাড় শ্যামপুর সড়কে অবরোধ করে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতাকর্মীরা। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শূরা সদস্য মো. মহিউদ্দিন, হেলাল উদ্দিন, ছাত্রনেতা হেলালসহ জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

হাজারীবাগে জামায়াতের অবরোধ : হাজারীবাগে সড়ক অবরোধ করে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতাকর্মীরা। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক নুর নবী মানিক এর নেতৃত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শূরা সদস্য শহিদুল ইসলাম সোহেল, মুজিবুর রহমান খান, শ্রমিক নেতা সাইফুল ইসলামসহ জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সদরঘাট এলাকায় জামায়াতের অবরোধ : রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় অবরোধ করে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতাকর্মীরা। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য কামরুল আহসান হাসানের নেতৃত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শূরা সদস্য সহ অবরোধে অংশগ্রহণ করে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সূত্রাপুর-ওয়ারী-গেন্ডারিয়ার থানা আমীর, সেক্রেটারি, থানা জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

ঢাকা মহানগরী উত্তরের ৭ স্পটে অবরোধ: জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারি সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান বলেছেন, সরকারের অবৈধ ক্ষমতালিপ্সা ও একগুঁয়েমী দেশকে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তারা বিরোধী দল বাদ দিয়ে নীলনক্সার নির্বাচনের মাধ্যমে দেশকে বাকশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। কিন্তু জনগণ তাদেরকে সে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করতে দেবে না। তিনি একতরফা তফসিল ঘোষণা থেকে বিরত থাকতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবান জানান। অন্যথায় সৃষ্ট পরিস্থিতির দায় কমিশনকেই নিতে হবে।

রাজধানীতে সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচনকালীন কেয়ারটেকার সরকার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ জাতীয় নেতাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত দেশব্যাপী টানা ৪৮ ঘন্টার অবরোধ কর্মসূচির অংশ হিসাবে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের মিরপুর অঞ্চল আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী পথ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিক্ষোভ মিছিলটি মিরপুর-২ মসজিদ কমপ্লেক্স থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে চিড়িয়াখানা রোডে এসে পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়। পথ সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরা সদস্য মোঃ নকীব, রিমন তমাল, জামাল উদ্দিন, ছাত্রনেতা ইমরান, আসাদ, ফাহাদ সহ মিরপুর থানার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মাহফুজুর রহমান বলেন, সরকারের অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব দেশে এক সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। সরকারের সীমাহীন কূটনৈতিক ব্যর্থতা দেশকে আন্তর্জাতিকভাবে বন্ধুহীন রাষ্ট্রে পরিণত করছে। তারা বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র, উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও দাতা সংস্থার কোন কথায় আমলে নিচ্ছে না বরং তাদের অবৈধ রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ দেশে এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। তারা পরিকল্পিতভাবে দেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংস করে দিয়ে দেশকে প্রকারান্তরে মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। তাই দেশ ও জাতিকে এই অপশক্তির হাত থেকে বাঁচাতে হলে দলমত নির্বিশেষে সকলকে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণপ্রতিরোধকে আরো শানিত করতে হবে। তিনি সময় থাকতে শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে অবিলম্বে সরকারকে পদত্যাগ ও কেয়ারটেকার সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহবান জানান। অন্যথায় ফ্যাসীবাদী সরকারকে গণরোষে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হবে।

তিনি বলেন, সরকার চলমান গণআন্দোলনকে দমন করার জন্য পুলিশ বাহিনী ও দলীয় সন্ত্রাসীদের জনগণের ওপর লেলিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস করছে। তারা জনতার শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালিয়ে গণহারে গ্রেফতার করে নির্যাতন চালাচ্ছে। সরকার দেশকে মেধা ও নেতৃত্বশূণ্য করার জন্যই পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান সহ বরেণ্য জাতীয় নেতাদের অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ করে গোটা দেশকেই অঘোষিত কারাগারে পরিণত করেছে। কিন্তু এসব করে স্বৈরাচারি ও ফ্যাসীবাদী শক্তির শেষ রক্ষা হবে না। তিনি অবিলম্বে আমীর জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান ও ঢাকা মহানগরী উত্তর আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সহ আটক সকল নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। অন্যথায় রাজপথের দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণই তাদেরকে মুক্ত করে ছাড়বে-ইনশাআল্লাহ।

মিরপুর ১৩ নং এলাকায় জামায়াতের অবরোধ: জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের কাফরুল অঞ্চলের উদ্যোগে সকাল ৭ টায় কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দীন মানিকের নেতৃত্বে রাজপথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে জামায়াতের কর্মীরা। কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য টুটুল, জোন টিমের সদস্য আলাউদ্দিন মোল্লা, ইসলামী ছাত্রশিবিরের মহানগর পশ্চিমের সেক্রেটারি সালাউদ্দিন মাহমুদ, শ্রমিক নেতা মিজানুর রহমান, মহানগর উত্তরের শুরা সদস্য আব্দুল মতিন খান, অধ্যাপক আনোয়ারুল করিম, আহসান হাবীব, আতিক হাসান ও মুসআব মুহাইমিন, আশিক, আলী হাসান ও আশিকুর রহমান প্রমুখ।

ফার্মগেটে জামায়াতের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ: ঢাকা মহানগরী উত্তরের হাতিরঝিল-তেজগাঁও অঞ্চলের উদ্যোগে সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে জামায়াতের নেতাকর্মীরা। ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকারের নেতৃত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরা সদস্য আমিনুল ইসলাম, নোমান আহমেদি, ছাত্রশিবিরে সাবেক কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক কলিম উল্লাহ ও ছাত্রনেতা নাজিমুদ্দিন প্রমুখ।

মিরপুর ১১-তে অবরোধের সমর্থনে মিছিল: সকালে জামায়াতে ইসলামী, ঢাকা মহানগরী উত্তরের পল্লবী অঞ্চলের জামায়াত কর্মীরা মিরপুর ১১-তে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত অবরোধে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরা সদস্য সাইফুল কাদের, আবু হানিফ, জামায়াত নেতা জোবায়ের হোসাইন রাজন, মোশাররফ হোসেন, যুবনেতা মো: হাসানুল বান্না চপল, ছাত্র নেতা মো: তাইয়ান ও আব্দুল কাদেরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

রাজধানীর উত্তরায় অবরোধ: অবরোধ কর্মসূচীর ২য় দিনে কর্মসূচী পালন করে জামায়াতে ইসলামী উত্তরা থানা। এতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরা সদস্য এম এ রহমান । উপস্থিত ছিলেন উত্তরা ও তুরাগের আমির, নায়েবে আমীর ও সেক্রেটারিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। আজ সকালে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ডাকা অবরোধ পালিত হয়। অবরোধ শেষে সংক্ষিপ্ত এক সমাবেশে নেতৃবৃন্দ দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণ অবরোধ পালনের জন্য আহ্বান জানান।

মোহাম্মদপুর এলাকায় অবরোধ: মোহাম্মদপুর পশ্চিম থানা অফিস সম্পাদক রবিউল ইসলাম রুবেলের নেতৃত্বে মোহাম্মদপুর এলাকায় রাজপথ অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন থানা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, মারুফ বিল্লাহ, শাহাবউদ্দিন মিজান, হাফিজুর রহমান শিকদার, আনোয়ার হোসেন, ইউনুস মিয়া ও যুব নেতা হাফিজুর রহমান সুমন প্রমুখ।

রামপুরা-বাড্ডা অঞ্চল অবরোধ: রামপুরা দক্ষিণ এলাকায় শান্তিপূর্ণ সড়ক অবরোধ কর্মসূচী পালন করা হয়। কর্মসূচি বাস্তবায়নে সার্বক্ষণিক তদারকি করেন থানা আমীর ও নায়েবে আমীর এবং কর্মসূচি পালনে নেতৃত্ব দেনন কর্মপরিষদের সিনিয়র সদস্য দলিল উদ্দিন ও জালাল রহমান।

ঢাকা জেলা দক্ষিণ: জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা জেলা দক্ষিণের আমীর মাওলানা দেলোয়ার বলেছেন, সরকার একতরফা নির্বাচন করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কুক্ষিগত করার দিবাস্বপ্ন দেখছে। কিন্তু বীর জনতা সে ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে এসেছে। সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত জনতার এই অবরোধ অব্যাহত থাকবে। তিনি সরকারকে শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে তামাশা ও ভাঁওতাবাজীর নির্বাচনের ষড়যন্ত্র বন্ধ করার আহ্বান জানান। অন্যথায় একতরফা তফসিল ঘোষণার ষড়যন্ত্র জনগণ জীবন দিয়ে হলেও রুখে দেবে-ইনশাআল্লাহ।

জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা দক্ষিণ আয়োজিত এক বিক্ষোভ পরবর্তী পথ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিক্ষোভ মিছিলটি কেরানীগঞ্জ উপজেলায় ঢাকা-নবাবগঞ্জ রোড থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়। পথ সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আবদুর রহিম, জেলা শূরা সদস্য ডা : এমাদুল ইসলামসহ স্থানীয় দায়িত্বশীলগণ।

মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন বলেন, সরকার অবাধ গণতন্ত্রের রক্ষাকবজ নির্বাচনকালীন কেয়ারটেকার সরকার পদ্ধতিকে আদালতের দোহাই দিয়ে বাতিল করা হয়েছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনকে ‘দলদাস’ কমিশনে পরিণত করা হয়েছে। ফলে দেশ একটি স্বৈরতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। জনগণকে তাদের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাই দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এই জুলুমবাজ ও অগণতান্ত্রিক সরকারের পতনের কোন বিকল্প নেই। তিনি টালবাহানা পরিহার করে অবিলম্বে সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ ও কেয়ারটেকার সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান জানান। অন্যথায় এজন্য সরকারকে চড়া মূল্য দিতে হবে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উদ্যোগে আরও একটি মিছিল চুনকুটিয়া রোড প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য জনাব জনাব এ আর মন্ডল ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আমীর মোহাম্মাদ ইলিয়াস প্রমুখ।

নারায়ণগঞ্জ মহানগরী: সোমবার শহরে রেলপথ অবরোধ করে জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখা। অবরোধ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন মহানগরীর কর্মপরিষদের অন্যতম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন। উপস্থিত ছিলেন, আবু তাওহীদ, মহানগরী ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল ইসলাম রনি, খলিলুর রহমান টিটু, আব্দুর রহিম, শফিকুল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।

সাভার: ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে অবরোধ করেছেন জামায়াতে ইসলামী সাভার পৌরসভা। ঢাকা জেলা উত্তর জামায়াতের মজলিসে শূরার সদস্য ও সাভার পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত আমীর মুহাম্মদ আবদুল কাদের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি পালন হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সানোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল ও নেতা-কর্মীরা।

রাজশাহী

রাজশাহী ব্যুরো : চতুর্থ পর্যায়ের টানা ৪৮ ঘন্টা অবরোধ রাজশাহীতে সর্বাত্বক পালিত হয়েছে। অবরোধের সমর্থনে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে রাজশাহী মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মিছিলসহ পিকেটিং করা হয়। এসময় রাজশাহী থেকে দুরপাল্লার যানবাহন চলাচল করেনি। এছাড়া অবরোধ কে কেন্দ্র করে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

চতুর্থ পর্যায়ের ৪৮ ঘন্টা অবরোধের ২য় দিনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর পক্ষ থেকে গতকাল সোমবার সকাল ৭ টায় নগরীর নওদাপাড়া এলাকায় মিছিল ও পিকেটিং করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর সেক্রেটারী ইমাজ উদ্দিনসহ মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ইমাজ উদ্দিন মন্ডল বলেন, স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকার আবারো ২০১৪ ও ২০১৮ সালের আদলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাঁয়তারা করছে। তিনি বলেন এ দেশের জনগন সরকারের পতন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছেড়ে যাবে না।

কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা : কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার উদ্যোগে কিশোরগঞ্জ -নীলগওমঁ সড়কে অবরোধের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় এবং রাস্তার মাঝে বসে রাস্তা অবরোধ করা হয়। উপজেলা নায়েবে আমীর মোঃ নূর উদ্দিনের নেতৃত্বে রাস্তায় মিছিলের শেষে, মোড়ে রাস্তায় বসে সমাবেশ করা হয়। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা উত্তর ছাত্রশিবিরের সভাপতি, মাহির ফয়সাল,দপ্তর সম্পাদক নিয়ামত উল্লাহ, মাইজখাপন ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি তমিজ উদ্দিন, সহ সভাপতি ফাইজুদ্দীন টুটুল, সেক্রেটারি মাহবুব এলাহী, রশিদাবাদ ইউপিঃ সভাপতি মোঃ আল আমিন, লতিফাবাদ ইউপিঃ সভাপতি আঃ মালেক রংগু, মহিনন্দ ইউনিয়ন সেক্রেটারি আবুল বাশার, সহকারী সেক্রেটারি তৌহিদ উল্লাহ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

হোসেনপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে সোমবার সকালে হোসেনপুর-নান্দাইল রোডে সড়কপথ অবরোধ ও পিকেটিং করা হয়েছে।

করিমগঞ্জ উপজেলায় অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়। উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন করিমগঞ্জ উপজেলার সংগ্রামি আমির মাওলানা আবুল কাশেম সাহেব এবং উপজেলা সেক্রেটারি নাজিম উদ্দীনসহ উপজেলার কর্মী সমর্থকবৃন্দ।

কুমিল্লা

কুমিল্লা অফিস : অবৈধ ও ফ্যাসিবাদী সরকারের পদত্যাগ, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে সড়কপথ, নৌপথ এবং রেলপথ অবরোধের ২য় দিনে বিভিন্ন স্থানে সড়ক পথ অবরোধ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরী শাখা।সোমবার নগরীর অশোকতলা রেলগেট এলাকায় অবরোধের সমর্থনে মিছিল ও পিকেপিং করে নেতাকর্মীরা।

এছাড়া জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা,লাকসাম,চান্দিনা মুরাদনগর উপজেলায় অবরোধের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল পিকেটিং করে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায় নেতৃবৃন্দ।

সিলেট

সিলেট ব্যুরো : গতকাল সোমবার জামায়াত কেন্দ্র আহূত অবরোধের শেষ দিনে নগরীর সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের শিবগঞ্জ এলাকায় সিলেট মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে সড়ক অবরোধ ও মিছিল পূর্ব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অবরোধ ও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট মহানগরী সভাপতি সিদ্দিক আহমদ প্রমুখ। এছাড়াও গতকাল দিনভর সিলেট নগরীর সকল গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সিলেট মহানগরীর সকল সাংগঠনিক থানা জামায়াতের উদ্যোগে সড়ক অবরোধ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পৃথক অবরোধ ও মিছিল পরবর্তী সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ৪টি ধাপে সর্বাত্মক অবরোধের পর ৪র্থ ধাপের ২য় দিন সর্বাত্মক অবরোধ পালনের মাধ্যমে দেশবাসী ফ্যাসিস্ট সরকারকে প্রত্যাখ্যান করেছে। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার এই আন্দোলন বিজয় না হওয়া পর্যন্ত চলছে চলবে। অবিলম্বে নিরপেক্ষ কেয়ারটেকার সরকার পুনর্বহাল, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমনাসহ কারান্তরীণ সকল রাজবন্দীদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

দিনাজপুর

অবৈধ ও ফ্যাসিবাদী সরকারের পদত্যাগ, কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠা ও আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে সড়কপথ, নৌপথ এবং রেলপথে জামায়াতের ডাকা টানা ৪৮ ঘণ্টা অবরোধের ২য় দিনে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দিনাজপুর শহর, বিরল উপজেলা ও বীরগঞ্জ উপজেলা শাখা।

টাংগাইল

টাংগাইল সংবাদদাতা : গতকাল সোমবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অবরোধের সমর্থনে টাংগাইলে সড়ক অবরোধ, মিছিল ও সমাবেশ করে টাংগাইল শহর ও সদর উপজেলা জামায়াত। জামায়াতের নেতাকর্মীরা টাংগাইল শহরের রেজিস্ট্রিপাড়া শাহীন কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করে পরে মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি পালন করেন তারা। কেয়ারটেকার সরকার পুনর্বহাল, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ বিরোধীদলীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে ইনশাআল্লাহ। পরবর্তী যেকোনো আন্দোলন ও কর্মসূচিতে সকলের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণের আহবান জানান নেতৃবৃন্দ।

বেলকুচি

বেলকুচি সংবাদদাতা : জামায়াতে ইসলামী,বেলকুচি উপজেলা’র পক্ষ থেকে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি-মুকুন্দগাঁতী হয়ে চন্দনগাঁতী বাজার পর্যন্ত সড়ক অবরোধ কর্মসূচী পালন করেছে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা। এ সময়,অবরোধ কর্মসূচী’র সমর্থনে রাস্তায় ব্যাপক পিকেটিং ও বিক্ষোভ প্রদর্শণ করা হয় । পরে, একটি বিক্ষোভ মিছিল মূল সড়ক প্রদক্ষিণ করে বেলকুচি-মুকুন্দগাঁতী হয়ে চন্দনগাঁতী বাজারে শেষ হয়।

সোমবার, সকালে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বেলকুচি উপজেলা সেক্রেটারি আরিফুল ইসলাম সোহেলের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াত ও শিবিরের নেতৃবৃন্দ।

গাজীপুর

গাজীপুর মহানগর সংবাদদাতা : দেশব্যাপী ৪৮ ঘণ্টার সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচির ২য় দিনে গতকাল টংগী, বাসন, পুবাইল, কাশিমপুরে এবং জয়দেবপুরে অবরোধের সমর্থনে মিছিল এবং পিকেটিং কর্মসূচি পালন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাজীপুর মহানগরী শাখা। অবরোধ কর্মসূচি পালনকালে নেতৃবৃন্দ বলেন সরকার আবারো ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের মতো আরেকটি সাজানো নির্বাচনের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। দেশের জনগন কোনভাবেই এমন তামাশার নির্বাচন মেনে নেবে না।

টংগী অঞ্চল : গাজীপুর মহানগর জামায়াতের মজলিসে শুরার সদস্য আবু তাকির নেতৃত্বে সকালে টংগী চেরাগ আলীতে অবরোধের সমর্থনে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

বাসন অঞ্চল : সকালে নগরীর ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের তেলিপাড়ায় গাজীপুর মহানগরীর বাসন অঞ্চলে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় । মহানগর শুরা সদস্য মো: রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন কাউলতিয়া থানা নায়েবে আমীর মো. তারিকুজ্জামান, মো. নূরুজ্জামান প্রমুখ।

পুবাইল : গাজীপুর মহানগরীর টংগী-নরসিংদী সড়কের মাজুখান বাজারে সকালে অবরোধের ২য় দিনে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে মহানগর শূরা সদস্য মো. আশরাফ আলী কাজল, মো. আশরাফুল আলম রাজু, মো. এবিএম সাইফুল্লাহ, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কাশিমপুর অঞ্চলঃ সকালে নগরীর চন্দ্রা নবী নগর রোডে কাশিমপুর অঞ্চলে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মহসনগর শুরা সদস্য মো: আক্তারুল ইসলাম, মো. ফরহাদ হোসেন, আব্দুল আহাদসহ নেতৃবৃন্দ।

মেট্রো অঞ্চল : এছাড়া নগরের জয়দেবপুর অঞ্চলের উদ্যোগে রেলপথে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য ইবনে আবিদের নেতৃত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন মো: মাসুম বিল্লাহ, মো: নাজমুল হাসানসহ স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা।

গাবতলী

গাবতলী (বগুড়া) সংবাদদাতা : চতুর্থদফা অবরোধের সমর্থনে দ্বিতীয় দিন গতকাল সোমবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাবতলী উপজেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলার পোষ্ট অফিস গেট রাস্তা থেকে শুরু হয়ে প্রধান সড়ক প্রদিক্ষন শেষে রেলগেটে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন গাবতলী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা আলহাজ¦ মাওলানা আব্দুল মজিদ। এসময় উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের জামায়াতের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মাদারীপুর

মাদারীপুর জেলার উদ্যোগে গতকাল সকালে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ ও অবরোধের মাধ্যমে মাদারীপুর – শরীয়তপুর মহাসড়কে অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান খান এর নেতৃত্বে এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। অবরোধের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন দিয়ে আওয়ামীলীগ সরকারের পদত্যাগের মাধ্যমে অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান। অন্যথায় পদত্যাগ করার আগ পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। উপস্থিত সবাইকে সকল প্রকার আন্দোলনে অংশ গ্রহন করে আন্দোলনের কর্মসূচি যথাযথ বাস্তবায়নের আহবান জানান।

সৈয়দপুর

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা : অবরোধ কর্মসূচীর সমর্থনে সৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়কে পিকেটিং করেছে জামায়াতে ইসলামী। চতুর্থ দফার দ্বিতীয় দিন গতকাল সোমবার সকালে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের খিয়ারজুম্মা বাজারে এই কর্মসূচী পালন করে। এসময় উপজেলা জামায়াত সেখানে বিক্ষোভ মিছিলও করেছে।

এতে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের সৈয়দপুর উপজেলা আমীর হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিম। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সেক্রেটারি আলহাজ্ব মাজহারুল ইসলাম, সহ সেক্রেটারি মাষ্টার খায়রুল আলম, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য খায়রাত হোসেন বসুনিয়া, নেতৃবৃন্দসহ উপজেলা ও পৌর পর্যায়ের নেতা কর্মীরাও অংশগ্রহণ করে।

চট্টগ্রাম

চতুর্থ দফায় অবরোধের দ্বিতীয় দিনে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর শান্তিপূর্ণ অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

নগরীর হালিশহর, বাকলিয়া, পাহাড়তলী, পাঁচলাইশ ও চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে নগর, থানা ও ওয়ার্ডে নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। এসময় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে পিকেটিং ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই নিকটবর্তী হচ্ছে সরকার ততই বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর তাদের জুলুম-নির্যাতন বাড়িয়ে দিচ্ছে। দেশব্যাপী বিরোধী মতের লোকজনকে গণহারে গ্রেফতার ও হয়রানি অব্যাহত রয়েছে।

নগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ সকল জাতীয় নেতার নি:শর্ত মুক্তি দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

বগুড়া

বগুড়া অফিস: বিরোধী দলের ডাকা ৪র্থ দফায় দেশব্যাপী ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের ২য় দিনে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বগুড়া-রংপুর মহাসড়ক এবং শহরের ২য় বাইপাস সড়কের ৩টি পয়েন্ট অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। সোমবার ভোর থেকেই জামায়াত-শিবিরের বিপুল সংখ্য নেতাকর্মী বগুড়া-রংপুর মহাসড়কের ছিলিমপুর শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশে, ২য় বাইপাসের নিশ্চিন্তপুর এবং বগুড়া-রংপুর মহাসড়কের বারোপুর মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করেনি। পুলিশ পাহারায় কিছু পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার হলেও বাসের দেখা মিলেনি। অবরোধকারীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিতে প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতা ছিল।