কমিটি গঠন নিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুলের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি

নিজস্ব প্রতিবেদকনিজস্ব প্রতিবেদক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  11:01 PM, 06 June 2022

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হককে ঘিরে প্রতিবাদ জানিয়েছেন দলটির উত্তরা ও বিমানবন্দর থানার বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। ঘেরাওয়ের সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমিনুলের বেশ কয়েকবার ধাক্কাধাক্কি হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে অনুষ্ঠিত ১, ৫১ ও বিমানবন্দর সাংগঠনিক ওয়ার্ডের সম্মেলন শুরু আগে এ ঘটনা ঘটে।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, সমঝোতার কমিটি গঠনের জন্য উদ্যোক্তারা কাউন্সিলের আয়োজন করে। কিন্তু নেতাদের মধ্যে সমঝোতার পরিবর্তে উত্তাপ ছড়িয়ে পরে। বিক্ষুব্ধ নেতারা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হককে ঘেরাও করেন। তার গাড়ির সামনে গুয়ে প্রতিবাদ জানান। একটা পর্যায়ে পুলিশের হস্তক্ষেপে বিক্ষুব্ধরা সম্মেলন স্থল ত্যাগ করলে একতরফাভাবে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।

নেতাকর্মীরা জানান, নগর পূণর্গঠনের অংশ হিসেবে উত্তরা ১২টি ওয়ার্ডে সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করছেন নগর নেতারা। নগর বিএনপি থেকে ঘোষিত প্রতিটি ওয়ার্ডের আহবায়ক কমিটির সকল যুগ্ম আহবায়কের সমন্বয়ের মাধ্যমে ইউনিট কমিটি করার কথা থাকলেও টিম প্রধান, আহবায়ক ও যুগ্ম আহবায়কদের মতামতকে উপেক্ষা করে প্রত্যেক ওয়ার্ডে ব্যক্তি বিশেষের পছন্দমতো ইউনিট গঠন করা হয়। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ওয়াডেয়র প্রভাবশালী প্রার্থীরা এত দিন লিখিতভাবে মহানগর নেতাদের অবহিত করার পাশাপাশি বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে আসলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি। উপরোন্তু বিতর্কিত ওইসব কমিটির কাউন্সিলরদেও দিয়ে নামকাওয়াস্তে কাউন্সিলের আয়োজন করা হয়। একটি সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিতে দিতেই মহানগর নেতারা এ তৎপরতা শুরু করেন বলে বিক্ষুব্ধরা জানান।

তারা বলেন, গত রোববার ওই একপেশে কাউন্সিলের আগে সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বয় ইউনিট কমিটি গঠনের দাবি জানানোর এক পর্যায়ে সদস্য সচিব আমিনুল হক উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং বিক্ষুব্ধদের কাউন্সিলস্থল ত্যাগ করার জন্য উচ্চবাচ্য করেন। কিন্তু বিক্ষুব্ধরা তাদের দাবিতে অটল থাকলে আমিনুল হক সম্মেলনস্থল ত্যাগ করার উদ্যোগ নিলে বিক্ষুব্ধরা তার গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন। এসময়ে নেতাকর্মীরা আমিনুলের একপেশে ভুমিকার সমালোচনা করে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। এসময় দুই পক্ষের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ এসে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। হট্টগোলের সময়ে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।