কভিড-১৯ বা করোনাভাইরস মহামারিতে ব্রিটেনের জন্য খুব ভয়াবহ সময় আসছে

জয়‌বি‌ডিজয়‌বি‌ডি
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  07:56 PM, 11 January 2021

কভিড-১৯ বা করোনাভাইরস মহামারিতে ইংল্যান্ডের এনএইচএস সব চেয়ে কঠিন সময় বা বিপদ জনক পরিস্থিতি পার করছে।এনএইচএস বা হাসপাতাল গুলি প্রতিদিন ৩০ হাজারের ও বেশী রোগীদের সেবা দিচ্ছে। অথচ গত এপ্রিলে সেবা দিয়ে ১৮ হাজার রোগীর । আগামী কয়েক সপ্তাহ পরিস্থিতি হবে আরো ভয়াবহ।

ইংল্যান্ডের চীফ মেডিকেল অফিসার প্রফেসর ক্রিস হুইটি সবাইকে সর্তক করে বলেছে আগামী কয়েক সপ্তাহ এনএইচএস এর জন্য সবচেয়ে খারাপ সময় অতিবাহিত হবে। তিনি জনসাধরণকে করোনার বিধি নিষেধ কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শদেন।

আজ বিবিসিকে দেয়া এক স্বাক্ষাতকারে হুইটি এ সর্তকতার কথা বলেন। ব্রিটেনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা অতিবাহিত করছে, আগামীতে আরো বেশি সংখ্যক মানুষের মৃত্যুর আশংকা করা হচ্ছে।
তিনি যতটা সম্ভব দ্রুত মানুষের মধ্যে ভ্যাকসিন পৌছার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, নার্সারির শিশুদের জন্য করোনা ততটা ঝুঁকি না হলেও মানুষকে ঘর থেকে বের হওয়ার সুযোগ করে দিবে।
তিনি বিশ্বাস করেন আগামী কয়েক মাসের মধ্যে করোনার নিষেধাজ্ঞাগুলো উঠে যাবে, মানুষ আবারো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারবে।

ইংল্যান্ডের প্রধান মেডিকেল অফিসার শতর্ক করে দিয়েছেন, এনএইচএস ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতির’ মুখোমুখি হয়েছে কারণ মহামারীটি রেকর্ড মৃত্যু এবং হাসপাতালে ভর্তি বৃদ্ধির কারনে এই পরিস্থিতির সৃস্টি হয়েছে । রোগীদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল গুলি।

এই সপ্তাহে দেশটি করোনাভাইরাস পরীক্ষা ও টিকা দেওয়ার প্রচেষ্টা অভ্যহত রয়েছে, ক্রিস হুইটি বলেছেন “যে ভাবে করোনা এড়ানো যায় তা রোধ করার একমাত্র উপায় হ’ল জনসাধারণকে যেখানেই সম্ভব বাড়িতে থাকতে হবে”।

ইতিমধ্যে প্রসারিত – স্টাফ-থেকে-রোগী অনুপাত এমনকি নিবিড় যত্নেও অগ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে।’ হাসপাতালে কোভিডের রোগীদের সংখ্যা ইংল্যান্ডে রেকর্ড সর্বোচ্চ, যখন যুক্তরাজ্যের জন্য সরকারী করোনাভাইরাস মৃত্যুর সংখ্যা গতকাল ৮০,০০০ পেরিয়েছে।

অধ্যাপক হুইটি কোভিডের বিস্তার রোধে তাদের প্রচেষ্টার জন্য জনগণের প্রশংসা করেছেন এবং কভিড-১৯ ভ্যাকসিনের মাধ্যমে আশার কথা উল্লেখ করেছেন।

এদিকে ভ্যাকসিন নেয়ার নির্ধারিত স্থান গুলি হলো, যথাক্রমে:-
১/মিলিনিয়াম পয়েন্ট, বারমিংহাম । ২/ আস্টন গেইট, ব্রিস্টল। ৩/ এক্সেল সেন্টার, লন্ডন।

৪/ ম্যানচেস্টার টেনিস এ্যান্ড ফুটবল সেন্টার, ৫/ সেন্টার লাইভ , নিউ ক্যাসেল।

৬/ রোবের্টসন হাউজ, স্টোভেনাস।, ৭/ এপসন ডাউন রিসার্চকোর্স সারি।

ভ্যাকসিন মিনিস্টার নাদিম জাহাওয়াই বলেন,”জিপি এবং এনএইচএস এর ড্যাটা অনুযায়ী ধারা বাহিক ভাবে ভ্যাকসিন কার্যকর্ম পরিচালিত হবে। করোনায় সবার জন্য সমান গুরুত্ব পাবে,”।

তিনি আরো বলেন,” ভ্যাকসিন প্রকল্প হচ্ছে এনএইচএস এর সব চেয়ে বৃহৎ প্রজেক্ট ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি বয়স অনুযায়ী ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ হবে,”।

আপনার মতামত লিখুন :