1. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক :
  2. [email protected] : rahad :
আইএমএফ’র কাছে বেলআউট সহায়তা চাওয়া হয়নি : মুখ্যসচিব | JoyBD24
সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন

আইএমএফ’র কাছে বেলআউট সহায়তা চাওয়া হয়নি : মুখ্যসচিব

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০২২
মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে ‘বেলআউট’ সহায়তার কোন প্রস্তাব দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস। তিনি বলেন,‘বেলআইট সহায়তা চাওয়ার মত কোন পরিস্থিতি বাংলাদেশে তৈরি হয়নি। আমাদের পাঁচ মাসেরও অধিক সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানোর মত পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ আছে।’ তবে ব্যালেন্স অব পেমেন্ট ও বাজেট সহায়তা হিসেবে সংস্থাটির কাছে সহজ শর্তের ঋণ চাওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিজ অফিসকক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। আহমদ কায়কাউস বলেন,‘বেলআউট, এই শব্দ নিয়ে আমার চরম আপত্তি। বেলআউট চাওয়া হয়েছে এমন খবর কোন কোন গণমাধ্যম পরিবেশন করছে। বিষয়টা অত্যন্ত অনভিপ্রেত এবং আতœসম্মানে লেগেছে।’ তিনি বলেন, বৈশি^ক পরিস্থিতির কারণে ভবিষ্যতে যদি ব্যালেন্স অব পেমেন্টের ঘাটতি বাড়ে, সেজন্য মূলত অর্থ মন্ত্রণালয় আলোচনা সাপেক্ষে সহায়তা চেয়েছে। এটি সহজ শর্তের ঋণ। বাংলাদেশের ইতিহাসে একাধিকবার এ ধরনের ঋণ সহায়তা আইএমএফ এর কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আরও বলেন, করোনাকালীন বিশ^ব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাইকা এবং আইএমএফ সবার কাছ থেকে বাজেট সহায়তা নেওয়া হয়েছে। তখন কেউ সমালোচনা করেনি। তিনি বলেন, করোনার সময় আইএমএফ এর কাছ থেকে ৭৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যালেন্স অব পেমেন্ট সহায়তা নেওয়া হয়েছে-সেটার পরিশোধও শুরু হয়েছে। তাহলে বর্তমান বৈশি^ক পরিস্থিতির কারণে আমরা এ ধরনের ঋণ সহায়তা নিলে সেটি তো খারাপ কিছু নয়। অপরাধও নয়। আমরা মাথা উচুঁ করে এই ঋণ চাইতে পারি।
আহমদ কায়কাউস বলেন, আইএমএফ এর কাছ থেকে নিয়মিত চার ধরনের তহবিল সহায়তা পাওয়া যায়। আমাদের সঙ্গে প্রতিবছর সেটি নিয়ে আলোচনা হয়। এবারও ব্যালেন্স অব পেমেন্ট ও বাজেট সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় সেটি ব্যয় করা হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বাড়ায় এখন প্রকল্প নির্ভর ঋণের পরিবর্তে বাজেট সহায়তা ঋণ পাচ্ছি। এর মানে হচ্ছে আমাদের পছন্দ মোতাবেক এই টাকা ব্যয় করতে পারব। এটি আমাদের জন্য ভাল।
ভারতের আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে যাওয়ার আগেই ভাড়া দিতে হবে বলে কেউ কেউ খবর প্রকাশ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি সঠিক নয় । উৎপাদনে যাওয়ার আগে কোন ভাড়া দেওয়া লাগবে না। প্রত্যোকটা বিদ্যুৎকেন্দ্র যতক্ষণ পর্যন্ত উৎপাদনে আসবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা কোন ভাড়া দিব না। বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কেবল বাংলাদেশে নয়, বিশ^ব্যাপী এই ব্যবস্থা আছে। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ৬৫ শতাংশ ব্যয় হয় জ¦ালানীতে এবং ৩৫ শতাংশ ব্যয় হয় বিনিয়োগজনিত। দেশি-বিদেশী বিনিয়োগের জন্য ক্যাপাসিটি চার্জ রাখার দরকার বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, কোন দেশের কাছ থেকে কম দামে জ¦ালানী তেল কেনার সুযোগ থাকলে বাংলাদেশ সেই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করবে। এছাড়া, তিনি আরও জানান, জ¦ালানী তেল নির্ভর অনেকগুলো বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয় না।  সূত্র:-বাসস

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2012 joybd24
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Joybd24